সোমবার, ১৬ মে ২০২২, ১০:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
কুমারখালী উপজেলা ও পৌর বিএনপির প্রতীকী অনশন পালন কুষ্টিয়ায় পণ্যে পাটজাতদ্রব্য ব্যবহার না করার অপরাধে জরিমানা কিশোরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ২৫টি পরিবারের ৮৩টি বসতঘর পুড়ে ভস্মীভ’ত কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বিএনপির প্রতিকী অনশন পালিত কুষ্টিয়ায় র‌্যাবের অভিযানে গাঁজাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসার ঘটিয়ে জনগনকে জনসম্পদে পরিনত করতে হবে : ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ, এমপি ফতুল্লায় গার্মেন্টস শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ পুলিশের লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকায় তালিকা হচ্ছে না নিয়ন্ত্রণহীন অপরাধীরা সাংবাদিকদের মধ্যে আর কোনো বিভক্তি থাকবে না : রুহুল আমিন গাজী কুষ্টিয়ায় তিন দিনেও খোঁজ মেলেনি অপহৃত মাদ্রাসা ছাত্রের, ফোনে মুক্তিপণ দাবি

গুমের ঘটনার নতুন তদন্তে স্বজনদের উদ্বেগ ॥ হয়রানির অভিযোগ

ঢাকা অফিস / ৪০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : সোমবার, ১৬ মে ২০২২, ১০:২১ অপরাহ্ন

দেশে বিভিন্ন সময় গুম বা নিখোঁজ থাকা ব্যক্তিদের পরিবারগুলো এখনো পথ চেয়ে আছেন। তারা বিভিন্ন সময় মানববন্ধন করে স্বজনদের ফিরে আসার আকুতি জানিয়ে আসছেন। বছরের পর বছর প্রিয়জনের কোনো খোঁজ না পেয়ে কেউ কেউ আসা ছেড়ে দিয়েছেন। প্রিয় মানুষটি বেঁচে আছে; নাকি মারা গেছে সেবিষয়েও নিশ্চিত নয়। তবে এ অবস্থার মধ্যে সম্প্রতি নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে অন্য একটি বিষয়। আর তা হলো- নিখোঁজ ব্যক্তিদের স্বজনদের কাছে হঠাৎ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নতুন করে তথ্য জানতে চাওয়ার ঘটনা। গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনদের কাছে গিয়ে নতুন করে গুমের বিষয়ে তথ্য জানতে চাওয়ায় বিব্রত অনেকেই। শুধু তাই নয়- এ ঘটনাকে কাটা ঘায়ে লবণের ছিটার মতো মনে করছেন গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনেরা। তাদের বক্তব্য হচ্ছে, বিভিন্ন সময় সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে তুলে নেয়ার পর দীর্ঘদিনেও প্রিয়জনের খোঁজ মিলছে না। এমনকি এ ব্যাপারে থানায় মামলা বা জিডিও করতে পারেননি অনেকে। মামলা হলেও তদন্ত হয়নি। আবার তদন্ত শুরু হলেও মাঝপথে থেমে আছে। কোনো ফল পাওয়া যায়নি। অনেক ক্ষেত্রেই এসব অভিযোগ তদন্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনীহার অভিযোগ রয়েছে। কেউ কেউ গুম হওয়ার পর ফিরে এসে মুখ খুলছে না। সব মিলিয়ে নিখোঁজ ব্যক্তিরা ফিরে না আসায় পরিবারগুলো বুকে ক্ষত নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। এ অবস্থায় নতুন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য জানতে চাওয়ায় চিন্তা বাড়ছে। মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এর এক প্রতিবেদনে জানা যায়, গত ১৪ বছরে দেশে ৬০৪ জনকে গুম করা হয়েছে। সব গুমের অভিযোগ তদন্তে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন গঠন করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) গুমের শিকার সব নিখোঁজ ব্যক্তিকে অবিলম্বে খুঁজে বের করা, প্রতিটি গুমের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিতে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন গঠন, দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গুমের শিকার ব্যক্তি ও তার পরিবারের যথাযথ পুনর্বাসন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার আহ্বান জানিয়েছে। একইসঙ্গে গুম সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সনদ স্বাক্ষর করে গুম প্রতিরোধে সরকারের সদিচ্ছার বহিঃপ্রকাশ ঘটানোর জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানানো হয়েছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৭ থেকে ২০২০ (২৫ আগস্ট) পর্যন্ত ৬০৪ জন গুমের শিকার হয়েছে বলে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্বজনরা অভিযোগ তুলেছেন। এদের মধ্যে পরবর্তী সময়ে ৭৮ জনের লাশ উদ্ধার হয়েছে। ৮৯ জনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে এবং ৫৭ জন ফেরত এসেছে। অন্যদের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়নি। নিখোঁজ হওয়া অধিকাংশ পরিবার, স্বজন বা প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা কিংবা সাংবাদিক বা মানবাধিকার সংগঠনের তথ্যানুসন্ধানে দেখা যায় বিশেষ বাহিনী-র‌্যাব, ডিবি পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগের পরিচয়ে সাদা পোশাকে ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের তুলে নেয়া হচ্ছে। প্রায়ই সংশ্লিষ্ট বাহিনী তাদের গ্রেফতার বা আটকের বিষয়টি অস্বীকার করে। পরিচিত কিংবা প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ ছাড়া খুব কম ক্ষেত্রেই আলোচনা বা আলোড়ন সৃষ্টি হয় এবং উদ্ধারের তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে গুম হওয়ার কিছুদিন পর হঠাৎ করেই তাদের কোনও মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয় বা ক্রসফায়ারে তাদের মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া যায়। যারা ফিরে আসতে পেরেছেন তাদের ক্ষেত্রেও কী ঘটেছে তা জানা যায় না। এরআগে বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে গুম হওয়া ৩৪ জনের অবস্থান ও ভাগ্য জানতে চেয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল। জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের ওয়ার্কিং গ্রুপ অন এনফোর্সড অর ইনভলান্টারি ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছে। ওই চিঠির সূত্র ধরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত বছর ১৪ জুন পুলিশের বিশেষ শাখায় (এসবি) একটি চিঠি পাঠায়। জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলরের ওয়ার্কিং গ্রুপের পাঠানো গুম হওয়া ৩৪ জনের বিস্তারিত পরিচয় ও তাদের গুম হওয়ার সময়কার বর্ণনা এবং এ সংক্রান্তে থানা পুলিশসহ বিভিন্ন সংস্থার কাছে অভিযোগ দেয়ার বিস্তারিত প্রতিবেদন তুলে ধরা হয়েছে। তালিকায় থাকা ব্যক্তিরা হলেন- সাবেক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহিল আমান আযমী, বিএনপি নেতা মো. ইলিয়াস আলী, মোহাম্মদ চৌধুরী আলম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার আরমান আহমদ বিন কাসেম, আনসার আলী, সাজেদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আব্দুল কাদের ভূঁইয়া, মো. কাউসার হোসেন, মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, আল আমীন, সোহেল রানা, মোহাম্মদ হোসেন চঞ্চল, পারভেজ হোসেন, মো. মাহফুজুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, নিজাম উদ্দিন, মাহবুব হাসান সুজন, কাজী ফরহাদ, সম্রাট মোল্লা, তপন দাশ ওরফে তপু, কে এম শামীম আক্তার, খালেদ হাসান সোহেল, এস এম মোয়াজ্জেম হোসেন, মো. হাসিনুর রহমান, রাজু ইসলাম, ইসমাইল হোসেন, মো. তারা মিয়া, মোহাম্মদ নূর হোসেন, মোহন মিয়া, ইফতেখার আহমেদ দিনার, কেইথিলপাম নবচন্দ্র, সেলিম রেজা পিন্টু ও জাহিদুল করিম। এ ছাড়াও হাফেজ জাকির হোসাইন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা আল মোকাদ্দাস ও মোহাম্মদ ওলিউল্লাহ প্রমুখের নাম রয়েছে এ তালিকায়। সম্প্রতি যাদের বাড়িতে পুলিশ গেছে বা যাদের থানায় যেতে হয়েছে বা পুলিশের লিখে দেয়া জবানবন্দিতে স্বাক্ষর করার জন্য চাপের মুখে পড়তে হয়েছে নিখোঁজ ব্যক্তিদের স্বজনদের নিয়ে গঠিত সংগঠন মায়ের ডাকের উদ্যোগে ঢাকায় এক সমাবেশ অনষ্ঠিত হয়। এই সমাবেশে ভুক্তভোগী সব পরিবার ও সাংবাদিক হাজির হওয়ার আগেই ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া শাখায় কর্মরত পুলিশ সদস্যরা হাজির হন। তারা ভুক্তভোগীদের বক্তব্য রেকর্ড করেন এবং বিভিন্ন প্রশ্নও করেন। মায়ের ডাকের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাও তাদের স্বাগত জানান। এসময় ২০১৯ সালের ১৯ জুন নিখোঁজ হওয়া ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী নাসিমা আক্তার বিভিন্ন সংস্থার কাছ থেকে কী আচরণের মুখোমুখি হয়েছেন তার বিবরণ দেন। নতুন করে পুলিশি তৎপরতার কী কারণ, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। নাসিমা আক্তার বলেন, ‘কিসের পুলিশ? আমি থানায় গেছি, পুলিশ আমাকে থানা থেকে বের করে দিয়েছে। পুলিশের ডিসি আমার চিঠিটা একবার পড়ল না। বলে র‌্যাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ, আপনি র‌্যাবের কাছে যান। পুলিশ এখন তিন বছর পর এসে জিজ্ঞেস করে আমার স্বামী আসলে গুম হয়েছে, নাকি কোথাও চলে গেছে। আমাদের কষ্ট লাগে, ঘেন্না আসে এখন। এটা কতটা লজ্জার! আমার মনে হয় না সমাজে শ্বাস নিই। আমাদের এখন মেরে ফেলেন। তারা আমাদের চোখের পানি নিয়ে উপহাস করে। আমার ঘরে কোনো উৎসব হয় না। আমার বাচ্চারা কখনো হাসে না। স্বামীর সন্ধান চেয়ে এই নারী বলেন, বলেন কোথায় রেখেছেন। লাশটা দেন। আমরা কি কোনো দিন একটা মিলাদ পড়তে পারব? মায়ের ডাকের সমন্বয়ক আফরোজা ইসলাম বলেন, ‘তদন্ত করলে সাধুবাদ জানাই। আপনারা জাতিসংঘকে কাগজপত্র পাঠাতে চান বলেছেন। আমরা আমাদের স্বার্থেই সহযোগিতা করব। কিন্তু আপনারা এই যে হাফ উইডোদের (প্রায় বিধবা) কখনো দিনে কখনো রাতে ডেকে নিয়ে যাচ্ছেন। দুই ঘণ্টা আটকে রেখেছেন। তারা ভীতির মধ্যে আছেন। তাঁদের ফিরে পেতে যা যা করতে হয়, মানবিকতার সঙ্গে করেন। এদিকে গুমের শিকার ব্যক্তিদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পুলিশের জেরা এবং পরিবারের সদস্যদের থানায় নিয়ে এসে জোর করে স্বাক্ষরসহ নানা হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি ও নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল। তারা এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। গত ১৫ জানুয়ারি দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে এ অভিযোগ করেন। বিবৃতিতে বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে না দাঁড়িয়ে তাদেরকে হুমকি দেওয়া ও হয়রানি করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। জাতিসংঘের ওয়ার্কিং গ্রুপ অন এনফোর্সড অর ইনভলান্টারি ডিসএপিয়ারেন্স বাংলাদেশে গুম হওয়া ব্যক্তিদের তালিকা প্রকাশ এবং এর প্রতিকারের জন্য সরকারের ওপর চাপ দেয়ার পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের নির্দেশেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা গুম হওয়া পরিবারের সদস্যদের ওপর চাপ প্রয়োগসহ হয়রানি করছে। ভুক্তভোগী নাগরিকদের ওপর এ ধরনের জুলুম করে কেউ কখনো রেহাই পায়নি ইতিহাস সে কথাই বলে। নেতারা বলেন, ‘গুমের শিকার ব্যক্তি নিখোঁজ হয়েছে’ বা ‘পরিবারের পক্ষ থেকে তথ্য গোপন করা হয়েছে’ এসব বাক্য লিখে গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে স্বাক্ষর নেয়া শুধু অন্যায় নয় এটা অপরাধ। এই কাজে জড়িত পুলিশ সদস্যদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তবে গুম হওয়া ব্যক্তিদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পুলিশ তাদের পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে সাদা কাগজে সই নিচ্ছে- গণমাধ্যমে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত খবরের প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এসব প্রতিবেদনে অতিরঞ্জিত এবং বিকৃত সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, যাতে উদ্দেশ্যমূলকভাবে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ডিএমপি। কিছুদিন আগে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. ফারুক হোসেন এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে ‘গুম হওয়া’ সংক্রান্ত দায়ের করা অভিযোগের বিষয়ে হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপন এবং উপস্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এক্ষেত্রে ভিকটিম এবং অভিযোগ প্রদানকারী ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা, তাদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ ইত্যাদি কার্যক্রম পরিচালনা করা পুলিশ বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রথাগত দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে পুলিশ মাঝে মধ্যে ভিকটিমের পরিবার কিংবা অভিযোগকারী ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে থাকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভিকটিমের পরিবার বা অভিযোগকারী ব্যক্তিদের পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করে থাকে। ডিসি ফারুক হোসেন বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত সবুজবাগ থানা এলাকায় মাহবুব হাসান সুজন নিখোঁজ হওয়ার ব্যাপারে পুলিশ ১০ জানুয়ারি তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে। এ সময়ে মাহবুব হাসান সুজনের ভাই মো. শাকিল খান তার ভাইয়ের নিখোঁজ হওয়ার স্থান সম্পর্কে ভিন্ন তথ্য উপস্থাপন করেন যা ইতোপূর্বে সবুজবাগ থানার জিডিতে উল্লেখ নেই। তাই সঠিক তথ্য জানার জন্য এবং মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্যই পুলিশ খোঁজ নিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

এক ক্লিকে বিভাগের খবর