সোমবার, ১৬ মে ২০২২, ০৮:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
কুমারখালী উপজেলা ও পৌর বিএনপির প্রতীকী অনশন পালন কুষ্টিয়ায় পণ্যে পাটজাতদ্রব্য ব্যবহার না করার অপরাধে জরিমানা কিশোরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ২৫টি পরিবারের ৮৩টি বসতঘর পুড়ে ভস্মীভ’ত কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বিএনপির প্রতিকী অনশন পালিত কুষ্টিয়ায় র‌্যাবের অভিযানে গাঁজাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসার ঘটিয়ে জনগনকে জনসম্পদে পরিনত করতে হবে : ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ, এমপি ফতুল্লায় গার্মেন্টস শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ পুলিশের লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকায় তালিকা হচ্ছে না নিয়ন্ত্রণহীন অপরাধীরা সাংবাদিকদের মধ্যে আর কোনো বিভক্তি থাকবে না : রুহুল আমিন গাজী কুষ্টিয়ায় তিন দিনেও খোঁজ মেলেনি অপহৃত মাদ্রাসা ছাত্রের, ফোনে মুক্তিপণ দাবি

কিশোরগঞ্জে প্রকৃতি থেকে হারিয়ে যাচ্ছে আলোকলতা

কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী)প্রতিনিধি / ২৪ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : সোমবার, ১৬ মে ২০২২, ০৮:৪২ অপরাহ্ন

প্রকৃতিতে সৌর্ন্দয্য বাড়িয়ে তোলে যে, কয়েকটি লতা, তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে আলোকলতা। এক সময় প্রায় সব জায়গায় আলোক লতা দেখা যেত। সব মানুষই এই লতাকে চেনেন। কাঁটা জাতীয় কুল, বড়ই গাছই মুলত এর প্রধান আশ্রয়কেন্দ্র। একসময় গ্রামীণ পথের ধারে গাছে গাছে জালের মত বিস্তার করত আলোকলতা। এখন আলোকলতার বাসযোগ্য না থাকায় প্রকৃতি থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। শীতের পাতা ঝরা প্রকৃতিতে মোহনীয় সৌন্দর্য ছড়ায় আলোকলতা। ষড়ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। প্রতিটি ঋতুই ভিন্ন রুপ বৈচিত্র্য নিয়ে হাজির হয় প্রকৃতিতে। পৌষের শিশির ভেজা মৃদু বাতাসে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় হলুদ রঙের গালিচায় মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে আলোকলতা। এমন দৃশ্য চোখে পড়ে মাগুড়া ইউনিয়ন সিংগের গাড়ি পাড়ার হাট সড়কের পাশে। দূর থেকে দেখলে মনে হয় ঝুরি ঝুরি হলদে সুতা ঝুলে আছে। এর উপরে রোদ পড়লে চকচক করে। গ্রামে এখন খুব কমই দেখা যায় এই আলোক লতা। হাকিম মো মোস্তাফিজুর রহমান সবুজ বলেন, আলোক লতায় ঔষধি গুন আছে । মোটা লতা পিত্তজনিত রোগে,সরু লতা দুষিত ক্ষতে, ডায়াবেটিস ও জন্ডিস এবং বীজ কৃমি ও পেটের বায়ু নাশে খাওয়ানো হত। এ ছাড়াও পান্ডুরোগ, পক্ষাঘাত, মাংসপেশির ব্যথা,বহুল ব্যবহার লক্ষণীয়। এটি রক্ত পরিস্কার করে। স্বাদে তিতা এ গাছ পিত্ত,সদির্ কাশি কমায়। খোশপাঁচড়া নিরাময়েও প্রয়োগ করা যায়। তবে বর্তমানে এর ব্যবহার নেই বললেই চলে। উপজেলা উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার আজিজার রহমান বলেন, আলোকলতা একটি পরজীবী উদ্ভিদ। গাছেই এর জন্ম,গাছেই এর বেড়ে ওঠা ও বংশ বিস্তার। কোন পাতা নেই, লতাই এর দেহ কা- মূল সব। সোনালী রং এর চিকন লতার মত বলে এইরূপ নামকরণ। কৃষি অফিসার হাবিবুর রহমান জানান,জীবন্ত গাছে জন্ম নিয়ে অলৌকিকভাবে পর গাছকে অবলম্বন করেই টিকে থাকে। যেই গাছে জন্মায় সেই গাছের ডাল ও কান্ড থেকে খাদ্য সংগ্রহ করে বেঁচে থাকে। প্রাকৃতিকভাবে বংশ বিস্তার করে থাকে। পৌষ ও চৈত্র মাসে এই লতা বেড়ে উঠে ও জালের মত বিস্তার ঘটায়। দেশে সর্বত্রই আলোক লতার জন্য উপযোগী আবাসস্থল। ফলে নির্ভরশীল গাছে আপন মনে জন্মায় আলোকলতা। এখন আলোক লতার ভরা মৌসুম। জন্ম নিয়ে বেড়ে উঠার জন্য ডগা উঁকি ঝুঁকি দিচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

এক ক্লিকে বিভাগের খবর