সোমবার, ১৬ মে ২০২২, ০৯:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
কুমারখালী উপজেলা ও পৌর বিএনপির প্রতীকী অনশন পালন কুষ্টিয়ায় পণ্যে পাটজাতদ্রব্য ব্যবহার না করার অপরাধে জরিমানা কিশোরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ২৫টি পরিবারের ৮৩টি বসতঘর পুড়ে ভস্মীভ’ত কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বিএনপির প্রতিকী অনশন পালিত কুষ্টিয়ায় র‌্যাবের অভিযানে গাঁজাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসার ঘটিয়ে জনগনকে জনসম্পদে পরিনত করতে হবে : ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ, এমপি ফতুল্লায় গার্মেন্টস শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ পুলিশের লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকায় তালিকা হচ্ছে না নিয়ন্ত্রণহীন অপরাধীরা সাংবাদিকদের মধ্যে আর কোনো বিভক্তি থাকবে না : রুহুল আমিন গাজী কুষ্টিয়ায় তিন দিনেও খোঁজ মেলেনি অপহৃত মাদ্রাসা ছাত্রের, ফোনে মুক্তিপণ দাবি

দিনাজপুরে মধু উৎপাদনে ব্যস্ত তরুণ মৌ-খামারিরা

দিনাজপুর প্রতিনিধি / ৪১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : সোমবার, ১৬ মে ২০২২, ০৯:০৩ অপরাহ্ন

সরিষার মাঠে মধু উৎপাদনে ব্যস্ত দিনাজপুরের তরুণ মৌ-খামারিরা। জেলাকে বেকারত্বমুক্ত করতে মৌ-খামার স্থাপন করে তরুণদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন মোসাদ্দেক হোসেন। পাশাপাশি দিনাজপুরকে মধুর জেলা হিসেবে গড়ে তুলতেও কাজ করছেন তিনি। মোসাদ্দেক হোসেনের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে বেকারত্ব দূর করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উদ্যোক্তা তৈরিতে প্রথম পর্যায়ে পাঁচজন তরুণকে মৌ-খামারি হিসেবে গড়তে মৌবাক্স প্রদান করেছে দিনাজপুর সদর উপজেলা প্রশাসন। আর এসব তরুণকে নিয়ে সরিষার মাঠে হাতে-কলমে শিখিয়ে গড়ে তুলছেন মোসাদ্দেক হোসেন। সরিষা, কালিজিরা, লিচু, ধনিয়া, খেসারি, মিষ্টিকুমড়া থেকে নভেম্বর-এপ্রিল পর্যন্ত টানা মধু উৎপাদন মৌসুম শুরু হয়েছে। মৌ-চাষিরা মধু সংগ্রহ করে লাভবান হয়, অন্যদিকে মৌমাছির মাধ্যমে মুকুলের পরাগায়ন ঘটায় সরিষার বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষক। এতে বেকারত্ব যেমন দূর হচ্ছে, তেমনি সরিষার ফলন বৃদ্ধি পাচ্ছে। মৌ-খামারি মোসাদ্দেক হোসেন কর্মসংস্থান ব্যাংক থেকে ঋণ এবং বিসিক থেকে নিয়েছেন প্রশিক্ষণ। সম্ভাবনাময় মৌ খামারে বদলেছে তার ভাগ্য। হয়েছেন স্বাবলম্বী। এ বছর ১০০ মৌবাক্স নিয়ে ৪ টন মধু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সরিষার মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। মাস্টার্স পরীক্ষা শেষ করে চাকরির পেছনে না ছুটে মৌ-খামার গড়ে মধু উৎপাদনে ব্যাপক সফলতা অর্জন করেন আলোর পথে জাগো যুব স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন। অল্প সময়ে মৌ-চাষেই তিনি স্বাবলম্বী হয়েছেন। মোসাদ্দেক জানান, কাঠের বাক্সে তিন ধরনের মৌমাছি থাকে মৌচাকে। রানী, পুরুষ আর শ্রমিক মাছি। কাঠের বাক্সে ৮-১০টি মৌচাক থাকে। প্রতি চাকে রানীর সংখ্যা মাত্র একটি। প্রতি সপ্তাহে বাক্স থেকে মধু আহরণ করা যায়। একটি বাক্সে খরচ হয় ৩ হাজার টাকা। সরকারি সহযোগিতা নিয়ে পরিকল্পনা অনুযায়ী বেকারত্ব দূরীকরণসহ সবার কাছে শিক্ষণীয় ও অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত স্থাপন করার আশা করছি। দিনাজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মর্তুজা আল মুঈদ জানান, দিনাজপুরে ব্যাপক সরিষা ও লিচু উৎপাদন হয়। সরিষা ও লিচুর ফুল থেকে মধু উৎপাদন করতে প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসেন মৌ-খামারিরা। তরুণ উদ্যোক্তাদের আত্মনির্ভরশীল করতে স্থানীয় উদ্যোগকে প্রসারিত করতে মোসাদ্দেকসহ তরুণদের সহযোগিতা করছি। লিচুর খ্যাতির পাশাপাশি মধুর খ্যাতি দিনাজপুরের তরুণদের সাফল্য অর্জনেও সার্বিক সহযোগিতা করে যাচ্ছি। এছাড়াও মধু সংগ্রহে যাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে তাদের আগামীতে আরো সহযোগিতা করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

এক ক্লিকে বিভাগের খবর