শুক্রবার, ০১ জুলাই ২০২২, ১০:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
কুমারখালী উপজেলা ও পৌর বিএনপির প্রতীকী অনশন পালন কুষ্টিয়ায় পণ্যে পাটজাতদ্রব্য ব্যবহার না করার অপরাধে জরিমানা কিশোরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ২৫টি পরিবারের ৮৩টি বসতঘর পুড়ে ভস্মীভ’ত কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বিএনপির প্রতিকী অনশন পালিত কুষ্টিয়ায় র‌্যাবের অভিযানে গাঁজাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসার ঘটিয়ে জনগনকে জনসম্পদে পরিনত করতে হবে : ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ, এমপি ফতুল্লায় গার্মেন্টস শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ পুলিশের লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকায় তালিকা হচ্ছে না নিয়ন্ত্রণহীন অপরাধীরা সাংবাদিকদের মধ্যে আর কোনো বিভক্তি থাকবে না : রুহুল আমিন গাজী কুষ্টিয়ায় তিন দিনেও খোঁজ মেলেনি অপহৃত মাদ্রাসা ছাত্রের, ফোনে মুক্তিপণ দাবি

এখনো অবহেলিত পাংশার যে গ্রাম

রাজবাড়ী প্রতিনিধি / ৫৬ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : শুক্রবার, ০১ জুলাই ২০২২, ১০:৫৭ অপরাহ্ন

রাজবাড়ী জেলার পাংশা থানার একটি গ্রামের নাম বসাকুস্টিয়া। এই গ্রামটি রাজবাড়ি জেলা ও ঢাকা বিভাগের শেষ সীমানা, এই গ্রামের থেকেই শুরু কুষ্টিয়া জেলা এবং খুলনা বিভাগের। গ্রামটি জেলার শেষ সীমান্তে হওয়ায় গ্রামের মানুষ অনেক আগে থেকেই অবহেলার স্বীকার হয়ে আসছে। যে রাজনৈতিক দলই ক্ষমতায় আসুক না কেন, তাদের প্রতিনিধিরা শুধু ভোটের সময়ই এই গ্রামে আসে। নির্বাচন শেষ হয়ে গেলে সারা বছরেও াদের আর দেখা মিলে না। নির্বাচন শেষে জনপ্রতিনিধিদের জীবন মান উন্নয়ন হলেও উন্নতি হয় না গ্রামের মানুষের জীবনমানের। গ্রামটির মানুষের জীবন যাত্রার উন্নয়ন আটকে আছে শুধুমাত্র একটা পাকা রাস্তার উপর, যার অভাবে গ্রামের মানুষ তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য সহ যাবতীয় কিছু বাজারজাত করতে শহরে নিতে ব্যর্থ হচ্ছে। গ্রামের স্কুলগামী ছেলেমেয়েরা বর্ষাকালে স্কুলে যেতে দুর্ভোগের শেষ নেই। ছোট ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসায়ী পণ্য থানা শহরে বিক্রি করতে এবং সেখান থেকে ক্রয়কৃত পণ্য আনতে পোহাচ্ছে অভাবনীয় দুর্ভোগ। আর এই দুর্ভোগ যেন মহামারি আকারে দেখা দেয় বর্ষাকালে। কারণ বর্ষাকালে সামান্য বৃষ্টিতে গ্রামের রাস্তা গুলো হাটু সমান কাঁদাপানিতে ডুবে যায়। বসা কুস্টিয়া জামে মসজিদের ইমাম সাহেব বলেন, এই কাদাপানির জন্য গ্রামের মানুষ ঠিক মত নামাযে আসতে পারে না। বিশেষ করে ছোট বাচ্চারা এবং বৃদ্ধরা নামাজে আসতে পারে না, তাদের জন্য এই কাঁদা মাটির রাস্তায় চলাচল মুশকিল। যদি সরকারের লোকজন একটা পাকা রাস্তা করে দিতো।তাহলে গ্রামের মানুষের খুব উপকার হতো। এই ওয়ার্ডের মেম্বার আইনুদ্দিনের সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমিও তো চাই গ্রামে একটা পাকা রাস্থা হোক, কিন্তু সেটা তো ব্যক্তিগত ভাবে করা সম্ভব না। আমি চেষ্টা করছি চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলে কিছু করা যায় কিনা। এই বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দিলসাদ বেগম বলেন, আমি এখনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কথা বলে গ্রামটিতে কিভাবে একটা পাকা রাস্তার ব্যবস্থা করা যায় দেখছি। আমি চাইনা আমার অধীনে থাকা কোন গ্রামের মানুষ দুর্ভোগে থাকুক। আমি এই বিষয়ে যত দ্রুত সম্ভব ব্যবস্থা নিবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

এক ক্লিকে বিভাগের খবর