সোমবার, ২১ জুন ২০২১, ০৪:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
চাকরি হারালেন আবু ত্ব-হার সেই বন্ধু সিয়াম হাসপাতালকে করোনা ডেডিকেটেড করার সিদ্ধান্ত কুষ্টিয়ায় এবার করোনায় সর্বোচ্চ ৯ জনের মৃত্যু অনৈতিক কাজ করতে মেহজাবিনকে বাধ্য করেছিল মা ১০ হাজার কোটি টাকার প্রজেক্ট ৫০ হাজার কোটি টাকা হয়ে যাচ্ছে : ফখরুল কুষ্টিয়ায় উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জুলাইয়েও খুলছে না তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি, আতঙ্কে ৬৩ চরের মানুষ কুষ্টিয়ার খোকসায় যৌন নিপীড়নের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার মিয়ানমার নিয়ে জাতিসংঘের প্রস্তাবে নেই রোহিঙ্গা ইস্যু, হতাশ বাংলাদেশ দিনের আলোতেও অন্ধকার দেখে বিএনপি : কাদের

কুষ্টিয়ায় জনতার হাতে প্রতারক ধরাশায়ী

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১১৭ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : সোমবার, ২১ জুন ২০২১, ০৪:১০ পূর্বাহ্ন

চাকরি দেয়ার নামে প্রতারণা করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জনতা হাতে ধরাশায়ী হলেন ময়মনসিংহের শেখ সেলিম আহম্মেদ রাজু (৩৮)।শেখ সেলিম আহম্মেদ রাজু ময়মনসিংহের আটকোয়া মাদ্রাসাপাড়া এলাকার আব্দুল মজিদের ছেলে।সে তিন মাস যাবত কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের বোয়াদহ্ মোড়ে একটি বাসা ভাড়া করে থাকতো।  সোমবার (৭ জুন ২০২১) সকলে স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

পুলিশে সোপর্দ করার আগে রাজু তার প্রতারণার কথা শিকার করেন।রাজু জানান, তিনি পিডিবিতে চাকুরি দেওয়ার কথা বলে ৭ জনের কাছ থেকে ৫ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা এ পর্যন্ত নিয়েছে। তিনি শিকার করেন তার চাকরি দেওয়ার কোন ক্ষমতা নেই। যে টাকা নিয়েছি তার কিছু টাকা (হরিপুর) এলাকার মানুষের মাঝে খরচ করেছি।বোয়ালদহ গ্রামের মৃত নওশের আলীর ছেলে চাঁদ জানান, আমার জামাইটা বেকার। তার একটি চাকরির জন্য শেখ সেলিম আহম্মেদ রাজুর কাছে এক লক্ষ টাকা দিয়েছিলাম। সে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে চাকরি পাইয়ে দেবে বলে বলেছিলেন।

এছাড়াও আমার কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা দোকানে বাকি করেছে। থানায় আমাকে ডেকেছে আমি স্থানীয় চেয়ারম্যান ও নেতাদের সাথে থানায় যাব।এলাকাবাসী জানায়, শেখ সেলিম আহম্মেদ রাজু নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে চাকরি করে তার নিকট আত্মীয় পরিচয় দিত। সে তার মাধ্যমে চাকরী দেবে বলে এই টাকা হাতিয়ে নেয়। মাঝে মাঝে দামি গাড়ি গাড়ি আসত তার ভাড়া বাড়িতে। চাকরি দেয়ার নামে প্রতারণার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী তাকে আটকে রেখে পুলিশে সোপর্দ করে।

এলাকাবাসী আরো জানান তিনি বল দাও রাজকীয় স্টাইলে থাকতেন। মাঝেমধ্যেই খাসি জবাই করে এলাকার মানুষদের খাওয়াতেন। তার এই রাজকীয় স্টাইলে থাকা দেখেই এলাকার মানুষ তাকে বিশ্বাস করতে শুরু করে।কুষ্টিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সাব্বিরুল আলম এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, হাটশ হরিপুরের অনেক লোকজন তাকে আটক করে রেখেছিল। তার জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছিল। আমরা তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

এক ক্লিকে বিভাগের খবর