শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন

মাত্র ৩ ঘণ্টার বৃষ্টিতেই নাকাল রাজধানীবাসী

ঢাকা অফিস / ৫৭ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন

ঢাকাবাসীকে গলা পানিতে নাজেহাল হতে হয়নি : দক্ষিণের মেয়র

মাত্র ৩ ঘন্টার বৃষ্টিতেই পানিবদ্ধতায় নাকাল রাজধানীবাসী। গতকাল মঙ্গলবার ভোর থেকে সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত টানা মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছে। যদিও মাঝরাত থেকে থেমে থেমে এই বৃষ্টি শুরু হয়। এর ফলে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার রাস্তা বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যায়। কোনো কোনো সড়কে জমেছে হাঁটু পানি, কোথাও কোথাও ফুটপাত পানিতে ডুবে যাওয়ায় বিপত্তিতে পড়েছেন পথচারীরা। অনেক স্থানে গাড়ির ইঞ্জিনে পানি প্রবেশ করে যানবাহন বিকল হয়ে যায়। আর এতে রাজধানী জুড়ে ভয়াবহ যানজট তৈরি হয়। রাস্তায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা পরিবহন, গণপরিবহন, ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরযানে দীর্ঘ সারি পড়ে যায়। পানিজট ও যানজটে চরম ভোগান্তিতে পড়েন অফিসগামী ও পথচারীরারা। কোনো কোনো রাস্তায় একশ গজ পার হতে দেড় ঘণ্টার বেশী সময় লেগে যায়। একটি আইটি কোম্পানিতে কর্মরত ফারুক হোসেন বলেন, বেইলি রোড থেকে সকাল সাড়ে নয়টার একটু আগে বসুন্ধরা এলাকার অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা দিই। সাড়ে ১১টার সময়ও বাড্ডা লিংক রোড পার হতে পারিনি। এদিকে রাস্তাতেও দাঁড়িয়ে থাকা যাচ্ছিল না। রাস্তায় ময়লা পানি। অফিসগামী যাত্রীদের অনেকে যানজটের একটি ছবি মোবাইল ফোনে তুলে অফিসের বসকে পাঠিয়েছেন। ইতোমধ্যে এক ঘণ্টা চলে গেছে। আরও এক ঘণ্টা লেগে যেতে পারে। তাই বসকে আপাতত জানানো হয়েছে। জানি না অফিসে কখন পৌঁছাতে পারবো। অনেক অফিসগামী যাত্রী গাড়ি ভাড়া করে অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা হলেও, পরে সময়মতো অফিসে পৌঁছাতে ভাড়া গাড়ি রেখে ময়লা পানি মাড়িয়ে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা যায়। তাদেরই একজন আফিফা। তিনি কাজ করেন একটি বেসরকারি ব্যাংকে। জানালেন, ব্যাংকের কাজ শুরু হয়েছে। গ্রাহক আমাদের জন্য অপেক্ষা করবে না। তাই গাড়ি ভাড়া করে এলেও গ্রাহকসেবা দিতেই হেঁটে রওনা দিয়েছি। বর্ষা বা বৃষ্টি মানেই রাজধানীবাসীর কাছে পানিবদ্ধতার এক তিক্ত অভিজ্ঞতা। গতকাল সকালে যারা জীবিকার তাগিদে ঘর থেকে বের হয়েছেন, তারা এটি হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন। পানিবদ্ধতার কারণে অফিসগামী লোকজনকে ছাতা মাথায়, প্যান্ট হাঁটু পর্যন্ত গুটিয়ে গণপরিবহনের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। আর যারা গণপরিবহন পাচ্ছেন না, তারা প্যান্ট গুটিয়ে পানি মাড়িয়ে কর্মক্ষেত্রের দিকে রওনা দেন। প্রতি বছরই পানিবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় রাজধানীবাসীকে। বৃষ্টি হলেই নগরীর অলিগলি ও ছোট পরিসরের রাস্তাগুলোতে ব্যাপক পানিবদ্ধতা দেখা দেয়। রাজধানীর পানি নিষ্কাশন পথগুলো আবর্জনায় ভরাট হয়ে থাকায় দ্রুত পানি নামতে পারে না, ফলে প্রতিবারই এমন পানিবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। সামান্য বৃষ্টিতেই মতিঝিল, গুলিস্তান, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট, মিরপুর, তেজগাঁও, মোহাম্মদপুর, বাড্ডা, মালিবাগ, রামপুরা, পুরান ঢাকা, খিলক্ষেতসহ বিভিন্ন এলাকার সড়কে পানি জমে পানিবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। বৃষ্টিতে রাজধানীর গুলশান-বাড্ডা লিংকরোড ও বৈশাখী সরণির সামনের সড়কে পানিবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। হাবিবুর রহমান নামের এক বেসরকারি চাকরিজীবী ছাতা মাথায় নিয়ে অফিসে যাওয়ার জন্য বের হয়েছেন। তিনি বলেন, মহাখালী অফিসে যাব, কিন্তু গণপরিবহন কম তাই হেঁটেই সামনের দিকে এগোতে শুরু করেছি। কিন্তু সড়কে, ফুটপাতে সব জায়গায় পানি, হাঁটাও যাচ্ছে না। কিন্তু অফিসে তো যেতে হবে, তাই এরমধ্যেই বাধ্য হয়ে যেতে হচ্ছে। সুলতান আহমেদ নামে এক পথচারী বলেন, প্রতিবছরই বৃষ্টি হলে রাজধানীতে এমন পানিবদ্ধতা হয়। সাধারণ মানুষ পড়ে ভোগান্তিতে। কিন্তু এই পানিবদ্ধতা নিরসনের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কোনো উদ্যোগ দেখা যায় না। মিরপুর এলাকায় সাব্বির নামে এক যাত্রী বলেন, আমি একটি কাজে গুলিস্তান যাব। কিন্তু বৃষ্টির জন্য গাড়ি পেতে বেগ পোহাতে হচ্ছে। আধা ঘণ্টার বেশি সময় হলো দাঁড়িয়ে আছি। কিন্তু কোনো গাড়ি পাচ্ছি না। আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, গতকাল ভোর ছয়টার আগের ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ২১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। তবে রাজধানী সহ আশপাশের এলাকায় গতকাল ভোর ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় ৮৫ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট ১০৬ মিলিমিটার হয়েছে ঢাকায়। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় আজও অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিনের এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। এদিকে সামাণ্য এই বুষ্টিতেই রাজধানীজুড়ে পানিবদ্ধতার একটি ব্যাখ্যা দিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। গতকাল গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ময়ের ব্যারিস্টার ফজলে নুর তাপস বলেন, গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ওয়াসার কাছ থেকে দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার পর ২ জানুয়ারি হতে জিরানি, মান্ডা, শ্যামপুর, কালুনগর খালসহ খালগুলোর শাখা-প্রশাখা এবং পান্থপথ ও সেগুনবাগিচা বক্স কালভার্ট হতে আমরা বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরু করেছি। ইতোমধ্যে এসব খাল ও বক্স কালভার্ট হতে ১ লক্ষ ৩,৫০০ মেট্রিক টনের অধিক বর্জ্য ও ৬ লক্ষ ৭৯ হাজার মেট্রিক টন পলি অপসারণ করেছি। এছাড়াও ওয়াসার কাছ থেকে বুঝে পাওয়া অচল দুটি পাম্প স্টেশন এর তিনটি পাম্প মেশিন সচল করতে সক্ষম হয়েছি এবং বাকি ৩টি সচল করতে জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এছাড়াও ওয়াসার কাছ থেকে পাওয়া বদ্ধ নর্দমা ও আমাদের উন্মুক্ত নর্দমাগুলো পরিষ্কারের কাজ চলমান রয়েছে এবং এই জুনের মধ্যেই তা শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত ৮৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। আমরা লক্ষ্য করেছি, বেশ কয়েকটি জায়গায় পানিট হলেও বিগত সময়ের পরিমাণ ও স্থান সংখ্যার তুলনায় তা অনেকাংশেই কম। আমাদের গৃহীত কার্যক্রমের ফলে বৃষ্টির পানি দ্রুততার সাথে নেমে যায়। মেয়র বলেন, সাধারণত কোনো স্থানে তিন ঘণ্টার অধিক পানি জমে থাকাকে পানিবদ্ধতা হিসেবে চিত্রিত করা হয়। মঙ্গলবারের বৃষ্টিতে আমরা ৩ ঘণ্টার মধ্যে প্রায় শতভাগ পানি নিষ্কাষণ করতে সক্ষম হয়েছি। যদিওবা আমাদের লক্ষ হলো ১ ঘণ্টার মধ্যে বৃষ্টির পানি নিষ্কাষণ করা। আমাদের কার্যক্রমের পাশাপাশি পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্লুইস গেটগুলো দ্রুত আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হোক। তা এখনো হয়নি। এছাড়া ডিএনডি বাঁধ, হাতির ঝিল প্রকল্প, মেট্টোরেলের কার্যক্রমের ফলে পানিবদ্ধতার সম্পূর্ণ সমাধান এখন পর্যন্ত দেওয়া সম্ভব না হলেও অতীতের মতো ঢাকাবাসীকে কোথাও কোমর পানি বা গলা পানিতে নাজেহাল হতে হয়নি। মেয়র বলেন, গতকালের বৃষ্টিতে যেসব জায়গায় পানিজট সৃষ্টি হয়েছে আমরা সেসব স্থানকে আমাদের পরবর্তী কার্যক্রমে প্রাধিকার দেবো এবং আগামী ২ বছরের মধ্যে পানিবদ্ধতাকে একটি সহনীয় মাত্রায় আনতে সক্ষম হবো বলে আমি বিশ্বাস করি। আমাদের প্রত্যাশা হলো, দীর্ঘমেয়াদে ঢাকাবাসীকে পানিবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দেওয়া। জানা গেছে, পানি নিষ্কাশনে প্রকল্প গ্রহণ করে ড্রেন নির্মাণের কাজ চলছে। ডিএসসিসির প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমরা ছোট প্রকল্পের মাধ্যমে সমস্যাপ্রবণ কয়েকটি এলাকার পানিবদ্ধতা দূর করেছি। এর মধ্যে শান্তিনগর, নাজিম উদ্দিন রোড, সচিবালয় এলাকা অন্যতম। এছাড়া প্রায় প্রতিটি এলাকার অলিগলিতে ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছে। তবে পানি নিষ্কাশনের বড় বড় ড্রেনের মালিক ছিল ঢাকা ওয়াসা। ইতমধ্যে খালসহ বড় ড্রেনগুলোর দেখভালের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে দুই সিটি কর্পোরেশনকে। এখন পানিবদ্ধতা হবে নাকি হবে না তা নির্ভর করছে ড্রেন বা বক্স কালভার্টের ওপর। এগুলো পরিস্কার না করলে পানিবদ্ধতা থেকেই যাবে। এছাড়া খাল গুলোকেও সচল রাখতে হবে। নগরবিদরা বলেছেন, পানি নামার বিভিন্ন লাইন ও নালা পরিষ্কার করা হচ্ছে। তবে ভারী বর্ষণ হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে তা মাত্র তিন ঘন্টার বৃষ্টিতে আবারো প্রমাণিত হয়েছে। জানতে চাইলে নগর পরিকল্পনাবিদ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বি আইপি) সাধারণ সম্পাদক ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক ড. আদিল মোহাম্মদ খান বলেন, ঢাকাকে পানিবদ্ধতামুক্ত করতে হলে বৃহৎ কর্মপরিকল্পনা নিতে হবে। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পরিকল্পনা দিয়ে পানিবদ্ধতার সাময়িক সমাধান হলেও টেকসই সমাধান হবে না। কোন এলাকার পানি কোন পথ দিয়ে কীভাবে আউট করতে হবে সে বিষয়ে আগে সব সংস্থার যৌথ পরিকল্পনা করতে হবে। এরপর কাজ শুরু করতে হবে। তা না হলে একেক এলাকা নিয়ে একেক বছর সমস্যায় থাকতে হবে। তিনি বলেন, রাজধানীর খালগুলোকে পরিষ্কার রাখতে হবে। দখলকৃত খালগুলো উদ্ধার করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখতে হবে। অন্যথায় ভারী বৃষ্টি হলে নগরবাসীকে ভয়াবহ এই দুর্ভোগ পোহাতেই হবে। জানা গেছে, ঢাকা দক্ষিণে গোপীবাগে ঢাকা ওয়াসার তিনটি পাম্প রয়েছে। এগুলোর প্রতিটির সক্ষমতা প্রতি ঘণ্টায় ১৮ হাজার কিউবিক মিটার। সচিবালয়, গুলিস্তান ও বঙ্গভবনসহ আশপাশের এলাকায় ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে এসব পাম্প দিয়ে যে পরিমাণ পানি অপসারণ করা যায়। তাতে পানি জট হবে না। তবে এর বেশি বৃষ্টি হলে হবে। জানা গেছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ৭৮১ দশমিক ৮৩ কিলোমিটার রাস্তা ও ২১৭ দশমিক ৩৮ কিলোমিটার ফুটপাত, ৪৬৬ দশমিক ৪৩ কিলোমিটার খোলা ও ৪৯৫ দশমিক ৪৪ কিলোমিটার পাইপ ড্রেন রয়েছে। এছাড়া ঢাকা ওয়াসার ১০ কিলোমিটার বক্স কালভার্ট, ৬৫ কিলোমিটার খাল, ৪টি পাম্পিং স্টেশন, ৫১টি স্লুইস গেট, ৩৪৬ কিলোমিটার পাইপ ড্রেন রয়েছে। এসবের মাধ্যমে ধানমন্ডি লেক, জিরানী-নন্দিপুর খাল, খিলগাঁও-বাসাবো খাল-১, ২ ও ৩, জিরানী খাল, হাজারীবাগ খাল, ধোলাইখাল, সেগুনবাগিচা খাল-১ ও ২ এবং মাণ্ডা খাল রয়েছে। এসব খাল দিয়েই বুড়িগঙ্গা ও বালু নদীতে যায় ঢাকা দক্ষিণের পানি। তবে বড় বড় এই খালের মালিক ঢাকা ওয়াসা। যদিও এখন সেগুলো সিটি কর্পোরেশন দেখভাল করছে। বর্তমানে এসব খালে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। যে কারণে বৃষ্টি হলে পানিবদ্ধতা দেখা দেয়। রাজধানীতে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের জন্য সাড়ে ৮ কিলোমিটার বক্স কালভার্ট এবং ৩৫০ কিলোমিটার স্টর্ম সুয়ারেজ লাইন রয়েছে। বৃষ্টির পানি এই দুই মাধ্যমে বিভিন্ন নিচু এলাকা, জলাশয়, খাল বা নদীতে গিয়ে পড়ে। পাশাপাশি ঢাকায় প্রায় ২ হাজার ৪০০ কিলোমিটার ড্রেন রয়েছে। এর মধ্যে দুই সিটি করপোরেশনের ২ হাজার এবং ওয়াসার ৪০০ কিলোমিটার ড্রেন রয়েছে। এই ড্রেনের মাধ্যমেই বৃষ্টির পানি বক্স কালভার্ট বা স্টর্ম সুয়ারেজ লাইনে নিয়ে ফেলা হয়। এগুলো পরিষ্কার করে পানির প্রবাহ সচল রাখার উপর তাগিদ দেন নগরবিদরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

এক ক্লিকে বিভাগের খবর