শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ০৭:০০ অপরাহ্ন

বিধিনিষেধ বাড়লো

ঢাকা অফিস / ৩৭ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ০৭:০০ অপরাহ্ন

চলবে বাস, ট্রেন, লঞ্চ

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় সরকার ঘোষিত চলমান বিধিনিষেধ আরো এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। গতকাল এ সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, অর্ধেক যাত্রী নিয়ে সকল ধরনের আন্তঃজেলা গণপরিবহন চলবে। হোটেল, রেস্তরাঁ ও খাবারের দোকানে ধারণক্ষমতার ৫০ শতাংশ আসনে গ্রাহকসেবা প্রদান করা যাবে। মন্ত্রিপরিষদের নির্দেশনার পর সীমিত আকারে সারা দেশে আন্তঃনগর ট্রেন চালুর ঘোষণা দিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার চলতি বছর প্রথমে ৫ই এপ্রিল থেকে সাত দিনের জন্য গণপরিবহন চলাচলসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ জারি করেছিল। পরে তা আরো দু’দিন বাড়ানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় ১৪ থেকে ২১শে এপ্রিল পর্যন্ত আরো কঠোর বিধিনিষেধ দিয়ে সর্বাত্মক লকডাউন শুরু হয়। পরে তা কয়েক দফা বাড়িয়ে ২৩শে মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এ বিধিনিষেধ ৩০শে মে মধ্যরাত পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, হোটেল ও খাবারের দোকানে আসনসংখ্যার অর্ধেক সেবাগ্রহীতাকে সেবা দেয়া যাবে। ফলে, এখন হোটেলে ধারণক্ষমতার অর্ধেক গ্রাহক বসে খেতে পারবে। এর আগে গত শনিবার দেশের সব রেস্টুরেন্ট পুরোপুরি খুলে দেয়ার দাবি জানায় বাংলাদেশ রেস্তরাঁ মালিক সমিতি। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই রেস্টুরেন্ট চালু করতে চান মালিকেরা। না হলে থালা-বাটি নিয়ে প্রেস ক্লাবের সামনে দাঁড়াবেন- এমন ঘোষণাও দেয়া হয়। আজ সোমবার থেকে সারা দেশে সীমিত আকারে রেল যোগাযোগও চালু হচ্ছে। গতকাল রেল ভবনে এক অনুষ্ঠানে রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, সরকারের সব নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে সোমবার থেকে আমরা রেল চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বর্তমানে আমাদের ১০৮টি আন্তঃনগর ট্রেন রয়েছে। এর মধ্যে ১৪ জোড়া তথা ২৮টি ট্রেন চালাবো। টিকিট অনলাইন থেকে সংগ্রহ করতে হবে। সংক্রমণের কারণে কাউন্টারে কোনো টিকিট রাখা হয়নি। এ ছাড়া ১৮টি কমিউটার ট্রেন চালানো হবে। গত ৩রা এপ্রিল সরকারি বিধিনিষেধের কারণে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। এদিকে রোববার মধ্যরাত থেকে সরকারের সব নির্দেশনা মেনে লঞ্চ চালানো হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থা। সংস্থাটির সচিব সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী জানান, সরকার সব ধরনের গণপরিবহন চালানোর সিদ্ধান্ত দিয়েছে। সে অনুযায়ী মধ্যরাত থেকে লঞ্চ চালানো যাবে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি মেনে লঞ্চ চালানো হবে। লঞ্চে ওঠার সময় হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক পরিধান বাধ্যতামূলক করা হবে। আগের জারি করা বিধিনিষেধ মেনে একই জেলার মধ্যে গণপরিবহন চলেছে। তবে এক জেলা থেকে আরেক জেলায় গণপরিবহন বন্ধ ছিল। এ ছাড়া যাত্রীবাহী নৌযান ও ট্রেনও আগের মতো বন্ধ ছিল। তবে ঈদের আগে লকডাউনের মধ্যে দোকান ও শপিং মল খুলে দেয়া হয়েছে। খোলা আছে ব্যাংকও। এ ছাড়া জরুরি কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত অফিসগুলোও খোলা রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

এক ক্লিকে বিভাগের খবর