মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০২:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ভিসির পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল শাবি : বাসভবন ঘেরাও নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে মার্কিন দূত-মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নির্যাতনের জবাবদিহিতায় যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ কুষ্টিয়ায় নিখোজ যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার কুষ্টিয়ায় ৯ পুলিশ কর্মকর্তার রদবদল সন্ত্রাসবাদকে না বলুন এই স্লোগানে কুষ্টিয়ায় উগ্রবাদ প্রতিরোধে পুলিশের মতবিনিময় সভা অক্সফামের রিপোর্ট : করোনায় শীর্ষ ১০ ধনীর সম্পদ দ্বিগুণ হয়েছে, মরছে গরিব, বাড়ছে বৈষম্য কুষ্টিয়ার মিরপুরে অবাধে ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রি সরকারি চিনিকলে বিক্রির তিনগুণ লোকসান কুষ্টিয়ায় গত চার মাস পর করোনায় আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু চলতি অধিবেশনেই পাস হচ্ছে নির্বাচন কমিশন আইন

দিনাজপুরের বিরামপুরে তরমুজের দাম অনেক বেশি, অভিযোগ ক্রেতাদের

দিনাজপুর প্রতিনিধি / ৩৯ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০২:০৫ অপরাহ্ন

দিনাজপুরের বিরামপুরে মৌসুমী ফল হিসেবে তরমুজের বেশ জনপ্রিয়তা রেয়েছে। আবার সেই মৌসুমী রসালো ফল তরমুজ এখন ৪৫/৫০টাকা প্রতি কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা সাধারণেরা অভিযোগ করে বলেন তরমুজ ব্যবসায়ীরা হঠাৎ করেই তাদের পছন্দ মত দাম হাকিয়েছেন। মৌসুমী ফল তরমুজ বের হওয়ার পর থেকে ১ম রমজান থেকে ১৩ রমজান পর্যন্ত গতকাল তরমুজ ব্যবসায়ীরা ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে আসছিলো। কিন্তু আজ হঠাৎ করে ব্যবসায়ীরা ৪৫/৫০টাকা প্রতি কেজি দরে দাম হাকিয়ে তরমুজ বিক্রি করছেন। এতে করে অনেকের সাথে এবং ক্রেতা বিক্রেতার সাথে দাম নিয়ে রীতিমত ঝগড়া বিবাদে জড়িয়ে পড়ছেন। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় যে, পৌর শহরের ইসলামী ব্যাংকের সামনে, অবসর মোড়,বাসষ্ট্যান্ড,রমুক্তিযোদ্ধা হোটেলের সামনে এবং লাইনপাড় বেশ কিছু দোকানদারা তারা ৪৫/৫০ টাকা কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করছে। তরমুজ কিনতে আসা দিনমজুর মোকলেছ আলী বলেন, আমি সারাদিন কাজ করে ৩শ টাকা পাই উপার্জন করি। এই রোজগারে টাকায় চাল, ডাল, মাছ, তরকারি কিনলে আমার কাছে আর টাকা থাকেনা। তারপর ১টি তরমুজ ওজন ৫/৬ কেজি তার দাম আবার ২৫০ হতে ৩০০ টাকা। সারাদিন যা আয় করছি তা দিয়ে যদি তরমুজ কিনি তাহলে আমার সংসার চলবে কেমন করে। তাই আমার পক্ষে তরমুজ কেনা সম্ভব না। তরমুজ কিনতে আসা আরেকজন ক্রেতা অটোচালক মানিক জানান, সারাদিন গাড়ী চালিয়ে ৪শ টাকা আয় করি, আর লোকজন না থাকায় আয় ও কিছুটা কম হচ্ছে। বেলা শেষে যা আয় করি কোন রকম বউ বাচ্চা পরিবার পরিজনদের নিয়ে খেয়ে পরে বেঁচে আছি। আমার এই রোজগারে তরমুজ কেনার সাধ্য কোথায়। বাজারের কয়েকজন খুচরা তরমুজ ব্যবসায়ীরা জানান, বড় ব্যবসায়ীরা তরমুজ পাইকারী বাজার হতে শ’ হিসেবে কিনে তা আবার আমাদের কাছে কেজিতে বিক্রি করে। আমরাও তখন কেজিতে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি। বাজার মনিটরিং করলে কেজি কাহিনী উন্মোচন হবে বলে তারা মনে করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

এক ক্লিকে বিভাগের খবর