বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
কুমারখালী উপজেলা ও পৌর বিএনপির প্রতীকী অনশন পালন কুষ্টিয়ায় পণ্যে পাটজাতদ্রব্য ব্যবহার না করার অপরাধে জরিমানা কিশোরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ২৫টি পরিবারের ৮৩টি বসতঘর পুড়ে ভস্মীভ’ত কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বিএনপির প্রতিকী অনশন পালিত কুষ্টিয়ায় র‌্যাবের অভিযানে গাঁজাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসার ঘটিয়ে জনগনকে জনসম্পদে পরিনত করতে হবে : ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ, এমপি ফতুল্লায় গার্মেন্টস শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ পুলিশের লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকায় তালিকা হচ্ছে না নিয়ন্ত্রণহীন অপরাধীরা সাংবাদিকদের মধ্যে আর কোনো বিভক্তি থাকবে না : রুহুল আমিন গাজী কুষ্টিয়ায় তিন দিনেও খোঁজ মেলেনি অপহৃত মাদ্রাসা ছাত্রের, ফোনে মুক্তিপণ দাবি

মুমিনের করণীয় ফেতনার সময়

গ্রামের ডাক ডেস্ক / ৩০৫ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন

বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বিষয়ে নিয়ে সমাজে অহরহ ফেতনা সংঘটিত হচ্ছে। অপ্রয়োজন ও অযথা কথা ও কাজে মানুষ ফেতনার পেছনে দৌড়াচ্ছে। অথচ হাদিসে পাকে প্রিয় নবি মুমিন মুসলমানের উদ্দেশ্যে চরম ফেতনার সময় কী করতে হবে তা সুস্পষ্টভাবে নসিহত করেছেন।

ফেতনা হচ্ছে মারাত্মক অপরাধ। কঠিন পরিস্থিতিতেও ফেতনা থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দিয়েছে ইসলাম। আল্লাহ তাআলা বলেন-
বস্তুত ফেতনা ফ্যাসাদ বা দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি করা হত্যার চেয়েও কঠিন অপরাধ। (সুরা বাকারা : আয়াত ১৯১) মূলত হজরত ওসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু হত্যার মাধ্যমে ফেতনার সূচনা হয়। কেয়ামত পর্যন্তই এ ফেতনা চলবে। যুদ্ধ কিংবা জটিল সমস্যার সময় কোনো বিষয়কে সমর্থন করা সম্পর্কে ফেতনা থেকে সতর্ক থাকতে কাউকে না বুঝে সমর্থন না করার ব্যাপারেও দিকনির্দেশনা দিয়েছেন বিশ্বনবি। কেননা জটিল সমস্যা ঘটার সময় কোন বিষয়টি সঠিক আর কোনটি ঠিক নয়; তা বুঝা কষ্টকর।

চরম ফেতনার সময় মুমিনদের করণীয় সম্পর্কে হাদিসের সুস্পষ্ট ঘোষণা হলো- রাসুলুল্লাহ সাললাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, অচিরেই বিভিন্ন রকম ফেতনার আবির্ভাব ঘটবে। ফেতনার সময় বসে থাকা ব্যক্তি ফেতনার দিকে পায়ে হেঁটে অগ্রসর হওয়া ব্যক্তির চেয়ে নিরাপদ ও উত্তম। আবার পায়ে হেঁটে চলমান ব্যক্তি আরোহী ব্যক্তি অপেক্ষা অধিক নিরাপদ ও উত্তম হবে। ফেতনা শুরু হয়ে গেলে যার উট থাকবে; সে যেন উটের রাখালি নিয়ে ব্যস্ত থাকে। আর যার ছাগল থাকবে, সে যেন ছাগলের পালের রাখালি নিয়ে ব্যস্ত থাকে। আর যার চাষাবাদের জমিন আছে, সে যেন চাষাবাদের কাজে ব্যস্ত থাকে। এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! যার কোনো কিছুই (উট, ছাগল, চাষাবাদের জমি) নেই; সে কী করবে?
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন- ‘পাথর দিয়ে তার তলোয়ারকে ভোঁতা করে নিরস্ত্র হয়ে যাবে এবং ফেতনা থেকে বাঁচতে চেষ্টা করবে। অতপর তিনি আরও বললেন- হে আল্লাহ! আমি কি আমার দায়িত্ব পৌঁছে দিয়েছি? হে আল্লাহ! আমি কি আমার দায়িত্ব পৌঁছে দিয়েছি? হে আল্লাহ! আমি কি আমার দায়িত্ব পৌঁছে দিয়েছি? অতপর অন্য এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলেন- হে আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! কেউ যদি আমাকে জোর করে কোনো দলের দিকে নিয়ে যায় এবং সেখানে গিয়ে কারো তলোয়ার বা তীরের আঘাতে আমি নিহত হই; তবে আমার কী হবে?

জি/হিমেল


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

এক ক্লিকে বিভাগের খবর