বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২, ০৩:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
কুমারখালী উপজেলা ও পৌর বিএনপির প্রতীকী অনশন পালন কুষ্টিয়ায় পণ্যে পাটজাতদ্রব্য ব্যবহার না করার অপরাধে জরিমানা কিশোরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ২৫টি পরিবারের ৮৩টি বসতঘর পুড়ে ভস্মীভ’ত কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বিএনপির প্রতিকী অনশন পালিত কুষ্টিয়ায় র‌্যাবের অভিযানে গাঁজাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসার ঘটিয়ে জনগনকে জনসম্পদে পরিনত করতে হবে : ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ, এমপি ফতুল্লায় গার্মেন্টস শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ পুলিশের লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকায় তালিকা হচ্ছে না নিয়ন্ত্রণহীন অপরাধীরা সাংবাদিকদের মধ্যে আর কোনো বিভক্তি থাকবে না : রুহুল আমিন গাজী কুষ্টিয়ায় তিন দিনেও খোঁজ মেলেনি অপহৃত মাদ্রাসা ছাত্রের, ফোনে মুক্তিপণ দাবি

কুষ্টিয়ায় পুলিশ হেফাজতে এক ব্যক্তিকে নির্যাতনের অভিযোগ এসআই বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ২৮০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২, ০৩:৪২ অপরাহ্ন

কুষ্টিয়ায় গরু চুরির মামলার সন্দেহভাজন আসামিকে পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।

১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিতে আদালতে তোলা হলে আশরাফুল ইসলাম (৪২) নামে এক আসামি এই অভিযোগ করেন।

কুষ্টিয়ার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক মো. মহসিন হাসান শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার আদেশ দেন।
আশরাফুল সদর উপজেলার আব্দালপুর মাঠপাড়ার নায়েব আলী মণ্ডলের ছেলে।
তিনি আদালতে অভিযোগ করেন, গত ৮ নভেম্বর গভীর রাতে তাকে হাতকড়া পরিয়ে চোখ বেঁধে বেধড়ক মারধর করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার এসআই আব্দুর রহমান। তারপর তাকে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে পুলিশের শেখানো কথা আদালতে বলতে চাপ দেওয়া হয়।

আদালত আসামির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠানোর আদেশ দেয়। হাসপাতাল থেকে দেওয়া সনদে আসামিকে শারীরিকভাবে নির্যাতনের সত্যতা মেলে।
আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, আসামির বক্তব্য, চিকিৎসা সনদ ও মামলার নথি পর্যালোচনায় পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে।

কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা তাপস কুমার সরকার বলেন, বুধবার দুপুরে আদালতের জিআরও এএসআই স্বপন হাসপাতালে নিয়ে আসেন আশরাফুলকে। তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘঅতের চিহ্ন আছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেওয়া হয়।

তবে এসআই আব্দুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
তিনি বলেন, “আমার হেফাজতে কোনো আসামিকে নির্যাতন করা হয়নি। আসামি আশরাফুলের ডাক্তারি পরীক্ষায় যদি নির্যাতনের কোনো প্রমাণ থাকে তাহলে আমি অভিযোগ মাথা পেতে নেব।

এ বিষয়ে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এসএম তানভির আরাফাত বলেন, “আদালতের কোনো নির্দেশনা আমার কাছে আসেনি। নির্দেশনা পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

এক ক্লিকে বিভাগের খবর