রবিবার, ২০ জুন ২০২১, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
সরকার লুটেরা অর্থনীতি চালু করেছে : মির্জা ফখরুল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধে রেখে জাতিকে মেরুদন্ডহীন করা হচ্ছে : ডা. জাফরুল্লাহ ধর্ষণের ভুক্তভোগীকে প্রয়োজনে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে : প্রধান বিচারপতি টিকা নিয়ে তলে তলে ষড়যন্ত্র করছে বিএনপি : তথ্যমন্ত্রী বিশ্বে ভিন্ন ধরনের ‘মহামারি’ আসছে কুষ্টিয়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের ভবন নির্মাণে বৃক্ষ নিধন নামের অক্সিজেনের উপর কুঠারাঘাত ৫৩ দিন পর হাসপাতাল থেকে বাসায় খালেদা জিয়া কুষ্টিয়ায় ৩৫ পিচ টাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে পুলিশ ঈদের পর অনলাইন/স্বশরীরে পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত ইবি’র দৌলতপুরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ঘেঁষে অবৈধভাবে কাটা হচ্ছে বালু

কুষ্টিয়া পৌর গোরস্হানের এই ‘আদেশ’ কার জন্যে

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৭১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : রবিবার, ২০ জুন ২০২১, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন

জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত কর্তৃপক্ষ-ক্ষমতাবানদের কে চাঁদা, ঘুষ, বখশিস নামক উপরি দিয়ে বাঁচতে হয় সাধারণ মানুষকে । এটাই বাংলাদেশের নাগরিক দায়। নবজাতকের জন্মের অনন্দে সদর হাসপাতালের স্টাফদের মিষ্টি খাওয়ার পয়সা দিতে স্বতস্ফূর্ততা থাকলেও, সেবা নিয়ে সুস্থ হয়ে ফেরার বদলে লাশ হলো যেই রোগী তার পরিজনের পক্ষে ‘মিষ্টি খাওয়ার’ পয়সা দেওয়াটা কতোটা কষ্টের তা বুঝতে চায় না এই চক্র ! বুঝতে চায় না কুষ্টিয়া পৌর গোরস্তানে কর্তব্যরত দাফন সহযোগী পৌর স্টাফরাও। বিশেষ ব্যতিক্রম ছাড়া টাকা না দিয়ে কোন পৌরবাসীর পক্ষে পরিজনকে কুষ্টিয়া পৌর গোরস্তানে দাফন করা অসম্ভব। অর্থাৎ মারা যাওয়ার পরেও একজন নাগরিককে এই চাঁদা ধাওয়া করছে কবর পর্যন্ত !জানাজা পড়ানো হুজুর থেকে শুরু করে কেউই ভাগ ছাড়ছেন না।পৌরসভা নাকি দুর্মূল্যের বাজারেও বেতন দেয় যৎ সামান্য। তবে কেউ কেউ  মৃতের স্বজনদের ফুট ফরমায়েশ খাটেন।

পৌরসভা স্টাফদের এই নিষ্ঠুর চাঁদাবাজির খবর স্বয়ং কুষ্টিয়া পৌরসভার মেয়রও অবহিত। আর এতে তিনি তার দায় এড়াতে ‘‘দাফন বাবদ পৌসসভা যে কোন অর্থ নেয় না ’’ জানিয়ে সাইনবোর্ড টানিয়ে রেখেছেন গোরস্তানের প্রবেশমুখে! সাইনবোর্ডটি জংধরে পুরাতন হলে নতুন আর একটা সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেয় পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। তারমানে খুব ভালো করে তিনি জানেন, যে তার লোকজন এখানে দাফন নিয়ে এক নিষ্ঠুর চাঁদাবাজী করছে এবং সেটি জানার পরেও তার প্রতিকার না করে‘ পিতা’ হয়ে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দায়িত্ব পালন করছেন !

রশিদবিহীন এইসব টাকা যে পৌরসভায় যায় না তা সকলেই জানেন, কিন্তু কোথায় যায় সেটা কি পৌরসভা কর্তৃপক্ষের অজানা? যারা এইসব করছে তারা তো  পৌরসভারই লোক। দিনের পর দিন ধরে চাঁদাবাজী চলবে এবং একই সাথে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দায় এড়ানোর প্রচেষ্টা চলবে এমন সাইনবোর্ডসর্বস্ব কর্তৃপক্ষ পৌরবাসীর কী কল্যণ করবে! ভুক্তভোগীদের অভিমত, যদি এই চাঁদাবাজী বন্ধ করা না যায় তা হলে টাকার হার নির্দিষ্ট করে রশিদের মাধ্যমে তা আদায় করে পৌরসভার একাউন্টে জমা করা হোক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

এক ক্লিকে বিভাগের খবর