রবিবার, ২০ জুন ২০২১, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
সরকার লুটেরা অর্থনীতি চালু করেছে : মির্জা ফখরুল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধে রেখে জাতিকে মেরুদন্ডহীন করা হচ্ছে : ডা. জাফরুল্লাহ ধর্ষণের ভুক্তভোগীকে প্রয়োজনে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে : প্রধান বিচারপতি টিকা নিয়ে তলে তলে ষড়যন্ত্র করছে বিএনপি : তথ্যমন্ত্রী বিশ্বে ভিন্ন ধরনের ‘মহামারি’ আসছে কুষ্টিয়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের ভবন নির্মাণে বৃক্ষ নিধন নামের অক্সিজেনের উপর কুঠারাঘাত ৫৩ দিন পর হাসপাতাল থেকে বাসায় খালেদা জিয়া কুষ্টিয়ায় ৩৫ পিচ টাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে পুলিশ ঈদের পর অনলাইন/স্বশরীরে পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত ইবি’র দৌলতপুরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ঘেঁষে অবৈধভাবে কাটা হচ্ছে বালু

“কুষ্টিয়া-হরিপুর সংযোগ সেতু রক্ষা বাঁধ ধস” ১৫ দিনেও কোন ব্যবস্থা নেইনি কর্তৃপক্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৩১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : রবিবার, ২০ জুন ২০২১, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন

কুষ্টিয়া-হরিপুর সংযোগ সেতু রক্ষা বাঁধের পূর্ব দিকে গত ১০ অক্টোবর হঠাৎ ধস নেম। সেদিনই প্রায় ৩০ মিটার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এখন পানি নামছে ধস বাড়ছে। কিন্তু এখন এলজিইডির কোন পদক্ষেপ চোখে পড়েনি নদীপাড়ের মানুষের।

বাঁধের পাশের চায়ের দোকানী আমজাদ হোসেন জানান, গত ১০ অক্টোবর (শনিবার) সকাল আনুমানিক সাড়ে ১১ টার দিকে বাঁধের ব্লকের পাশ দিয়ে বুদবুদ উঠে ধস শুরু হয়। বাঁধের পাশে নদী খননের কাজে নিয়োজিত একটি ড্রেজার দাঁড়িয়ে ছিল। এর কারণে এই ধস নেমেছে দাবি তার। এই ধস নামার সাথে সাথে
স্থানীয়রা আতংকিত হয়ে মাইকিং করে। এরপর ড্রেজার সেখান থেকে সরিয়ে নেয়া হয়। এতে প্রায় ৩০ মিটার ব্লক ধসে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। কিন্তু ১৫ দিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত ব্লক ধস রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন পদক্ষেপ চোখে পড়েনি। তিনি দাবি করেন ধস এখনি থামানো না হলে আশপাশের এলাকা ও শত কোটি টাকা দিয়ে নির্মীত কুষ্টিয়া-হরিপুর সংযোগ সেতু নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কুষ্টিয়া-হরিপুর সংযোগ সেতুর পূর্ব পাশে প্রাইমারি স্কুলের পাশ দিয়ে সেতু রক্ষা বাঁধ ধস অব্যাহত রয়েছে। এতে স্থানীয়দের ক্ষোভ বাড়ছে। ইতিমধ্যে প্রায় ৪০ মিটার ধসে গিয়েছে।

এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী জাহিদুর রহমান মন্ডলের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ইতিমধ্যে আমরা একটা প্রতিবেদন হেড অফিসে পাঠিয়েছি। এছাড়াও তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এখনো তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাইনি। খুব তাড়াতাড়ি ঢাকা থেকে একটি টিম আসবে। আশা করি পানি নেমে গেলে কাজ শুরু করতে পারবো।

উল্লেখ্য, ১৯৯৫ সাল থেকে কুষ্টিয়া-হরিপুর সংযোগ সেতু নির্মাণের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছিল হরিপুর বাসী। তাদের আন্দোলনের ফসল স্বরূপ ২০১৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এই সেতুটি নির্মাণ কাজ শুরু করে। ২০১৭ সালের ২৪ শে মার্চ সেতুটি চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। ৫০০ মিটার দৈর্ঘ্যের এই সেতুটির নির্মাণে ব্যয় হয় ৯৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

এক ক্লিকে বিভাগের খবর