রবিবার, ২০ জুন ২০২১, ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
সরকার লুটেরা অর্থনীতি চালু করেছে : মির্জা ফখরুল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধে রেখে জাতিকে মেরুদন্ডহীন করা হচ্ছে : ডা. জাফরুল্লাহ ধর্ষণের ভুক্তভোগীকে প্রয়োজনে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে : প্রধান বিচারপতি টিকা নিয়ে তলে তলে ষড়যন্ত্র করছে বিএনপি : তথ্যমন্ত্রী বিশ্বে ভিন্ন ধরনের ‘মহামারি’ আসছে কুষ্টিয়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের ভবন নির্মাণে বৃক্ষ নিধন নামের অক্সিজেনের উপর কুঠারাঘাত ৫৩ দিন পর হাসপাতাল থেকে বাসায় খালেদা জিয়া কুষ্টিয়ায় ৩৫ পিচ টাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে পুলিশ ঈদের পর অনলাইন/স্বশরীরে পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত ইবি’র দৌলতপুরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ঘেঁষে অবৈধভাবে কাটা হচ্ছে বালু

কুষ্টিয়ার মিরপুরে মদিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভূল অপারেশনে রোগীর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৩১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : রবিবার, ২০ জুন ২০২১, ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার পৌর এলাকার মদিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভূল অপারেশনের শিকার হয়ে জেসমিন আক্তার (৩৫) নামে এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রোগীর পারিবার সূত্রে জানা যায়,
নিহত জেসমিন পেটে পাথর জনিত সমস্যার কারনে কয়েক মাস আগে মদিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যায়। সে সময় মদিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টার কতৃপক্ষ তাদেরকে অপারেশন করার পরামর্শ দেন। এর পর গত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখে কুষ্টিয়ার মিরপুর পৌর এলাকার মদিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে জেসমিন আক্তারের পিত্তথলির পাথর অপারেশন করা হয়। ওই অপারেশন কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের একজন সার্জনকে দিয়ে করামোর কথা থাকলেও অন্য আরেক চিকিৎসককে দিয়ে অপারেশন করায় মদিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষ। পিত্তথলির পাথর অপারেশনের সময় ওই চিকিৎসক জেসমিনের পেটের নাড়ি কেটে ফেলেন এর ফলে জেসমিনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে মদিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষ তরিঘরি করে জেসমিনকে উন্নত চিকিৎসার কথা বলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়।
দীর্ঘ ২২ দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকার পর মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) জেসমিন আক্তারের মৃত্যু হয়। জেসমিন আক্তার মিরপুর পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের আলী হোসেনের স্ত্রী।
এ ব্যাপারে নিহত জেসমিন আক্তারের স্বামী আলী হোসেন বলেন, গত মাসের ২৮ তারিখে মদিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আমার স্ত্রীকে অপারেশনের কথা ছিলো কুষ্টিয়ার ডাক্তার হোসেন ইমামের কিন্তু মদিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষ তার পরিবর্তে অন্য আরেক ডাক্তারকে দিয়ে অপারেশন করায়। ওই চিকিৎসক পিত্তথলির পাথর অপারেশন করতে গিয়ে পেটের অন্য নাড়ি কেটে ফেলে। যার ফলে আমার স্ত্রী দীর্ঘ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ সাহপাতালে গতকাল মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) মারা যায়।
এ ব্যাপারে মদিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষ জানায় , ভুল হতে পারে। আমরা সব সময় ভালোর জন্যই কাজ করার চেষ্টা করি তবে ভুল হতে পারে।
এর আগেও মদিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভুল চিকিৎসায় একাধিক রোগী মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

এক ক্লিকে বিভাগের খবর