বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই ২০২২, ০৪:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
কুমারখালী উপজেলা ও পৌর বিএনপির প্রতীকী অনশন পালন কুষ্টিয়ায় পণ্যে পাটজাতদ্রব্য ব্যবহার না করার অপরাধে জরিমানা কিশোরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ২৫টি পরিবারের ৮৩টি বসতঘর পুড়ে ভস্মীভ’ত কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বিএনপির প্রতিকী অনশন পালিত কুষ্টিয়ায় র‌্যাবের অভিযানে গাঁজাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসার ঘটিয়ে জনগনকে জনসম্পদে পরিনত করতে হবে : ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ, এমপি ফতুল্লায় গার্মেন্টস শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ পুলিশের লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকায় তালিকা হচ্ছে না নিয়ন্ত্রণহীন অপরাধীরা সাংবাদিকদের মধ্যে আর কোনো বিভক্তি থাকবে না : রুহুল আমিন গাজী কুষ্টিয়ায় তিন দিনেও খোঁজ মেলেনি অপহৃত মাদ্রাসা ছাত্রের, ফোনে মুক্তিপণ দাবি

কুষ্টিয়ার মিরপুরে নন্দিতা সিনেমা হল এখন শুধুই স্মৃতি

মিরপুর প্রতিনিধি / ৪৩ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই ২০২২, ০৪:২৯ অপরাহ্ন

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে একমাত্র বিনোদন কেন্দ্র “নন্দিতা” সিনেমা হলটি ভেঙ্গে ফেলার মাধ্যম এটি এখন চলে গেছে স্মৃতির পাতায়। এখন ভেঙ্গে ফেলা হলটির স্থানে নির্মাণ করা হয়েছে হাই রাইজ বিল্ডিং। বর্তমান প্রজন্মের কাছে সিনেমা হলের স্থানটির পরিচয় কেবলই আবাসিক এলাকা হিসাবে। উপজেলার প্রাণ কেন্দ্রে ১৯৮২ সালে ঝিনাইদহ শিল্প ব্যাংক থেকে ১৩ লক্ষ ২০ হাজার টাকা ঋণ সুবিধা নিয়ে ৪৩ শতক জমির উপর কুষ্টিয়া থানা পাড়ার কর্ণেল সাইদুর রহমান “নন্দিতা সিনেমা” হল প্রতিষ্ঠা করেন। সিনেমা হলটি চালুর পর অত্র অঞ্চলের বিনোদন প্রিয় দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে। সিনেমা হলটি চালুর পর ব্যবসায়িক সাফল্য যখন তুঙ্গে তখন হলটির মূল মালিক কর্ণেল সাইদুর রহমান আকস্মিক মৃত্যু বরন করেন। ছন্দপতন ঘটে সিনেমা হলটির ব্যবসায়িক সাফল্যে। সাথে বাড়তে থাকে ঋনের সুদ। এরপর ঈশ্বরদীর মধু খন্দকার বিনোদন কেন্দ্রটি চালুর উদ্যোগ নেন। ৬ মাসের মাথায় হলটি বন্ধ হয়ে যায়। এবার ঢাকার রুহুল আমিন ভুঁইয়া লীজ ভিত্তিতে হলটি চালু করেন। তাকেও ৮ মাসের মাথায় হলটি বন্ধ করতে হয়। এরপর নারায়নগঞ্জের এম.এ মান্নান উদ্দ্যোগ নিয়ে হলটি ৩ বছর চালু রাখেন। মেহেরপুরের পটল ১ বছর এবং রাজবাড়ীর শরিফুল ইমাম মূল মালিকের স্ত্রীর সাথে পার্টনার শীপে ২ বছর চালু রাখলেও নিয়মিত করতে পারেননি। সর্বশেষ ১৯৯৮/৯৯ সালে হলটি বন্ধ হয়ে যাবার পর আর চালু করা যায়নি। সময়মত ঋণের কিস্তি পরিশোধ না করে শিল্প ব্যাংকের ১৩ লক্ষ ২০ হাজার টাকা ঋণের সুদ এবং আসল মিলে ৭০ লক্ষ টাকায় দাঁড়ায় বলে একটি সুত্র থেকে জানা যায়। শিল্প ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হলটির মূল মালিকের স্ত্রী সাঈদা আক্তার সাঈদ ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে তেলেসমাতি কায়দায় ৭০ লক্ষ টাকার সুদ আসল অবিশ্বাস্য রকম মওকুফ করিয়ে শুধুমাত্র আসল টাকা ব্যাংকে জমা দেয় বলে জানা যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

এক ক্লিকে বিভাগের খবর