বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
সরকারি নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে ক্লাস নেয়ার অভিযোগ কুষ্টিয়া কুওয়াতুল ইসলাম কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিশপ্ত যে দ্বীপে গুপ্তধন খুঁজতে গেলেই মৃত্যু ইকুয়েডরে কারাগারে দাঙ্গায় নিহত ৬২ সাবেক ডেপুটি গভর্নর ইব্রাহিম খালেদ আর নেই চুয়াডাঙ্গায় ফেসবুকে ইসলামবিরোধী বক্তব্য, আ. লীগ নেতার ছেলে আটক নীলক্ষেতে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ কুষ্টিয়ার মিরপুরে মা হত্যায় জড়িত সন্দেহে ছেলেসহ ২জনকে আটক করেছে পুলিশ কুষ্টিয়া থেকে অপহৃত স্কুলছাত্র নাসিম রাজশাহীতে উদ্ধার কুষ্টিয়ায় ভাতা নিয়ে নয়-ছয় : ভালো চোখ থাকা সত্ত্বেও মহাসড়কের গাড়ি চালক মোবারক নিচ্ছেন দৃষ্টি প্রতিবন্ধির ভাতা! ভেড়ামারায় প্রবাসীর স্ত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা

“দৈনিক সমকাল” পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

প্রতিবাদ / ২১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন

১৭ ফেব্রুয়ারি দৈনিক সমকাল পত্রিকায় কুষ্টিয়া ইসলামিয়া কলেজ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যে অসত্য, বিভ্রান্তিকর, মানহানিকর, উদ্দেশ্যমূলক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে তার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে কুষ্টিয়া ইসলামিয়া শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রোমেনা ইয়াসমিন, সহ-সভাপতি মোঃ ওবাইদুল ইসলাম, যুগ্ম-সম্পাদক টিপু সুলতান, যুগ্ম-সম্পাদক আশরাফুল আলম, যুগ্ম-সম্পাদক স্বপন আলী, কলেজ পরিচালনা পর্ষদের শিক্ষক প্রতিনিধি মোঃ হাবিবুল ইসলাম, শিক্ষক প্রতিনিধি সাদিয়া ফারজানা, শিক্ষক প্রতিনিধি মোঃ আশেকুল ইসলাম । উক্ত প্রতিবেদনে কলেজ অধ্যক্ষ, গভর্নিং বডি আর্থিক ব্যবস্থাপনা, নিয়োগ, নির্মাণ কাজ ইত্যাদি বিষয়ে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে কলেজ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সুনাম ও মর্যাদা হানি করা হয়েছে। এব্যাপারে আমাদের সুস্পষ্ট বক্তব্য হলো সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন প্রকার অনিয়ম এর আশ্রয় নেওয়া হয়নি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট সরকারী ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিবিধান অনুসরণ করে গভর্নিং বডির সিদ্ধান্তে অনুমোদনক্রমে সমস্ত কাজ সম্পাদন করা হয়েছে। নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়টি সরকারী ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক গভর্নিং বডির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয় এবং নিয়োগ নির্বাচনী বাছাই কমিটি গঠিত হয়। নিয়োগ বাছাই কমিটিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, মাউশি এর প্রতিনিধি, গভর্নিং বডির সভাপতি ও ১ জন গভর্নিং বডির সদস্য থাকেন। নিয়োগ বাছাই কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী গভর্নিং বডির সিদ্ধান্ত মোতাবেক নিয়োগ বিধি অনুসরণ করে অধ্যক্ষ নিয়োগ পত্র প্রদান করেন। অধ‌্যক্ষের নিয়োগ বাণিজ্যের বিষয়টি অসত্য। কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা, দোকানভাড়া ও অন্যান্য ব্যয় কলেজ ফান্ডে (ব্যাংকে) সরাসরি টাকা জমা দেন। উক্ত টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে সভাপতি ও অধ্যক্ষ এর যৌথ স্বারে উত্তোলিত হয়। বিভিন্ন খরচাদি গভর্নিং বডির সভায় অনুমোদিত হয়। কলেজের টাকা লুট পাটের বিষয়টি বিভ্রান্তিকর ও অসত্য। সাবেক মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য মরহুম কে.এইচ রশীদুজ্জামান ১৫-১২-২০০৯ খ্রি: তারিখ হতে ০৮-০৪-২০১৩ খ্রি: তারিখ পর্যন্ত কুষ্টিয়া ইসলামিয়া কলেজের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। জনাব মো: নওয়াব আলী অত্র কলেজে ১৪-০১-১৯৯০ খ্রি: তারিখে এমপিও ভুক্ত পদে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। যথাযথ প্রক্রিয়ায় ০৪-০৬-২০১১ খ্রি: তারিখে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, নিয়োগ কমিটি, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ডিজি প্রতিনিধি, নিয়োগ পরীক্ষা (০১-০৪-২০১১খ্রি:) নিয়োগ বোর্ডের সুপারিশ, বিধি মোতাবেক জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে। গভর্নিং বডির ২৬-০৫-২০১১ খ্রি: তারিখের সভায় অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ অনুমোদিত হয় এবং গভর্নিং বডির সভাপতির ৩১-০৫-২০১১খ্রি: তারিখে স্বারিত নিয়োগ পত্র অনুযায়ী ০৪-০৬-২০১১ খ্রি: তারিখে কলেজে যোগদান করেন। এরই ধারাবাহিকতায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ১৮-০৫-২০১১ খ্রি: তারিখে অধ্যক্ষের যোগদান পত্র অনুমোদিত হয়। মো: নওয়াব আলী ০৪-০৬-২০১১ খ্রি: তারিখে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদানের পরেও মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য খন্দ: রশীদুজ্জামান ০৮-০৪-২০১৩ খ্রি: তারিখ পর্যন্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার জীবনদ্দশায় কোন সভায় অধ্যক্ষ নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে কোন অভিযোগ উপস্থাপন করেননি। সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ লাভ এর অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। এছাড়াও অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদানের পূর্ব পর্যন্ত নিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম নিয়োগ বাছাই কমিটি ও গভর্নিং বডি করে থাকে। সেখানে আবেদনকারীর নিয়োগ প্রক্রিয়ার সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার কোন সুযোগ নাই। নিয়োগকালীন সমেয়ে এমনকি পরবর্তীতে দায়িত্ব প্রাপ্ত সভাপতি সৈয়দ বেলাল হোসেন মাননীয় জেলা প্রশাসক, কুষ্টিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মো: আজগর আলী, সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, কুষ্টিয়া, জনাব এ্যাড. অনুপ কুমার নন্দী, পাবলিক প্রসিকিউটর, কুষ্টিয়া তারাও মো: নওয়াব আলীর বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জালিয়াতি, দূর্নীতি ও অনিয়মের বিষয়ে কোন অভিযোগ করেননি। অতএব উক্ত অভিযোগগুলোও অসত্য ও কল্পনাপ্রসূত। আয়কর ও ভ্যাট বাবদ ১৫,০০,০০০/- (পনের লক্ষ) টাকা কলেজ সরকারী কোষাগারে জমাাদান সংক্রান্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর। প্রকৃত সত্য এই যে, সাময়িক বরখাস্তকৃত উপাধ্য সাবিনা ইয়াছমিন এর স্বামী ফ্রিডম পাটি নেতা এটিএম রুহুল আজম (কথিত ভারপ্রাপ্ত সভাপতি) এব কার্যকালে কলেজে যে মার্কেট নির্মাণ হয়েছিল তার ব্যয় বিল অডিট রিপোর্টে আয়কর ও ভ্যাটের টাকা সরকারী কোষাগারে জমা দানের কথা বলা হয়। এব্যাপারে এটিএম রুহুল আজম এর বিরুদ্ধে দূর্নীতি দমন কমিশনে সাবেক জেলা প্রশাসক সৈয়দ বেলাল হোসেন এর সময়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তা বিচারাধীন আছে। নির্মাণকাজ, আয়কর ও ভ্যাট সংক্রান্ত বিষয়টি ছিল ১৮-০৩-২০১০ খ্রি: তারিখ সময়কালীন ঘটনা জনাব মো: নওয়াব আলী অধ্যক্ষ পদে আসেন ০৪-০৬-২০১১খ্রি: তারিখে। সুতরাং তাঁর উপর উক্ত দায়-দায়িত্ব কোন ক্রমেই বর্তায় না। শিক্ষা মন্ত্রনালয় কর্তৃক গত (১) ১০-০৪-২০১৬ ইং তারিখে স্মারক নং-৩৭.০০.০০০০.০৭৪. ০২৭.০০৮.২০৯. ১৫২ (ক) জনবল কাঠামোর নির্দেশিকার বিধি অনুসারে অধ্যক্ষ জনাব মো: নওয়াব আলীর বেতন-ভাতা সরকারী অংশ স্থায়ীভাবে এমপিও শিট হতে কর্তন করার জন্য এবং (খ) আয়কর ও ভ্যাট বাবদ (৬,৯৮,১২৪.১৬+৭,৮৫,৩৮৯.৬৮) = ১৪,৮৩,৫৩১.৮৪ টাকা চালানের মাধ্যমে সরকারী কোষাগার জমাদান দেয়ার জন্য প্রয়োজনে PDR ACT, ১৯৯৩ এ মামলা দায়ের করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয় এবং (২) গত ১০-০৪-২০১৬ইং তারিখে স্মারক নং-৩৭.০০.০০০০.০৭৪.০২৭.০০৮.২০০৯.১৫৩ কুষ্টিয়া ইসলামিয়া কলেজের উপাধ্যক্ষ জনাব সাবিনা ইয়াসমিনের সাময়িক বরখাস্ত প্রত্যাহারের বিষয়ে এবং জালিয়াতির অভিযোগে অধ্যক্ষ জনাব মো: নওয়াব আলীর বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা দায়ের করার জন্য ২টি পত্র জারি করে গভর্নিং বডিকে নির্দেশ প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে জনাব মো: নওয়াব আলী, অধ্যক্ষ কুষ্টিয়া ইসলামিয়া কলেজ, কুষ্টিয়া ১০-০৪-২০১৬ইং তারিখের ২টি পত্রের বিরুদ্ধে মহামান্য হাই কোর্ট বিভাগে রীট মামলা নং- ৪৯৮৯/২০১৬ দায়ের করেন। মহামান্য হাইকোর্টের মাননীয় বিচারপতি নাইমা হায়দার ও মাননীয় বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল গত ১৯-০৪-২০১৬ইং তারিখে এই মর্মে অন্তবর্তীকালীন আদেশ প্রদান করেন যে, গত ১০-১৪-২০১৬ইং তারিখের ৩৭.০০.০০০০.০২৭. ০০৮.২০০৯.১৫২ নং স্মারক পত্রের বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ দেন এবং গত ১০-০৪-২০১৬ খ্রি: তারিখের ৩৭.০০.০০০০. ০৭৪.০২৭. ০০৮.২০০৯.১৫৩ নং স্মারক পত্রের বিরুদ্ধে রুল জারি করেন। পরবর্তীতে রেসপনডেন্ড নং-০৮ (জেলা শিক্ষা অফিসার, কুষ্টিয়া) পক্ষ উক্ত অন্তবর্তীকালীন আদেশের বিরুদ্ধে চেম্বার জজে C.M.P No. 1531/2016 দায়ের করেন মাননীয় চেম্বার জজ ০১-০৬-২০১৬খ্রি: তারিখে শুনানী অন্তে মামলাটি সুপ্রীম কোর্টে প্রেরণ করেন। মাননীয় সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ ২৪-০৭-২০১৬খ্রি: তারিখে মাননীয় হাইকোর্ট বিভাগের অন্তবর্তীকালীন আদেশ বহাল রাখেন। প্রধান বিচারপতির উক্ত আদেশ অমান্য করে গত ১০-০৪-২০১৬ খ্রি: তারিখের স্মারক নং- ৩৭.০০.০০০০.০৭৪.০২৭.০০৮.২০০৯.১৫২ পত্রের স্থগিতাদেশ বহাল থাকা স্বত্বেও ০৬-০৬-২০১৬খ্রি: তারিখে অধ্যক্ষ মো: নওয়াব আলীর নাম MPO শিট হতে কর্তন করা হয়। যাহার ফলশ্রুতিতে জনাব মো: নওয়াব আলী Contempt Petition No- ২৪৮/২০১৬ দায়ের করেন। মাননীয় বিচারপতি জনাব সালমা মাছুদ চৌধুরী ও মাননীয় বিচারপতি জনাব কাজী মো: এজারুল হক শুনানীর পরে মাননীয় সচিব শিক্ষা মন্ত্রনালয় ও আরো ৪ জনের বিরুদ্ধে রুল নিশি জারী করে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন যাহা এখনও বিচারাধীন আছে। উক্ত রীট মামলা নং- ৪৯৮৯/২০১৬ নং রীট পিটিশন শুনানীর তালিকায় আছে। ইতোমধ্যে গত ২৩-০১-২০১৯ খ্রি: তারিখে স্মারক নং ৩৭.০২.০০০০.১০৫.৩১.০৬১.২০১৮/২৩৯ ও ২৩-০১-২০০৯ খ্রি: তারিখে স্মারক নং- ৩৭.০২.০০০০.১০৫.৩১.০৬১.২০১৮/২৪৪/২ এবং গত ০২-১২-২০১৮খ্রি: তারিখে স্মারক নং- ৩৭.০০.০০০০.০৭৪.২৭.০০৭.১৮.৫০২ উক্ত ৩টি চিঠি সহকারী পরিচালক, (কলেজ-৩) মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, শিক্ষা ভবন, ঢাকা এবং উপ-সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ বেসরকারী মাধ্যমিক শাখা-৩, শিক্ষা মন্ত্রনালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা, রেজিষ্ট্রার, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় গাজীপুর ও চেয়ারম্যান, গভর্নিং বডি, কুষ্টিয়া ইসলামিয়া কলেজ, কুষ্টিয়া বরাবর প্রেরণ করে বলেন যে, অধ্যরে দায়িত্ব হস্তান্তর, মাসিক বেতন পরিশোধের আদেশে উপাধ্যরে স্বার গ্রহণ এবং অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা দায়ের করা হোক। উক্ত ৩টি পত্রের বিরুদ্ধে অধ্যক্ষ মো: নওয়াব আলী রীট পিটিশন নং- ৪৯৮৯/২০১৬ মামলায় সাপ্লিমেন্টারি রুলের জন্য দরখাস্ত দাখিল করেন। উক্ত দরখাস্তটি মাননীয় বিচারপতি জনাব এফ.আর.এম নাজমুল আহসান ও মাননীয় বিচারপতি জনাব কে. এম, কামরুল কাদেরের দ্বৈত বেঞ্চ শুনানী অন্তে গত ২৩-০৭-২০১৯ খ্রি: তারিখে মঞ্জুর করেন এবং উক্ত ৩টি পত্রের বিরুদ্ধে রুল ইস্যু করেন। অতএব দেখা যায় যে, মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের ৪৯৮৯/২০১৬ নং রিটের স্থগিতাদেশ বহাল আছে এবং গত ২৩-০৭-২০১৯ খ্রি: তারিখে উক্ত মামলায় সাপ্লিমেন্টারী রুল জারী হয়েছে। যেহেতু মহামন্য হাই কোর্ট বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী রীট পিটিশন নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কৌশলী কুষ্টিয়ার আইনগত মতামত অনুযায়ী শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশি এর প্রেরিত পত্র মোতাবেক কোনরূপ ব্যবস্থা গ্রহণের আইনগত সুযোগ নেই। জনাব মুহা: শামসুর রহমান বাবু তার সভাপতির দায়িত্ব ৪ বছরের পূর্ণ মেয়াদকাল শেষ হওয়ার পরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় জেলা প্রশাসক মহোদয়কে সভাপতির দায়িত্ব প্রদান করেছেন। মাউশি কর্তৃক তাকে সরিয়ে দিয়েছে এই তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট। নিয়োগ ব্যাংক হিসাব আদায়, শিওর ক্যাশ সংক্রান্ত যে অভিযোগ তা অসত্য। গভর্নিং বডির সিদ্ধান্ত মোতাবেক ছাত্র-ছাত্রীদের বেতন ও অন্যান্য ফিস এবং দোকান সংক্রান্ত সমুদয় আদায় ব্যাংকের মাধ্যমে হয়ে থাকে। বিজ্ঞান ভবন, রবীন্দ্র কলা ভবন সংক্রান্ত ভুয়া বিল ভাউচারে অতিরিক্ত ২,৫০,০০,০০০/- ( দুই কোটি পঞ্চাশ লক্ষ) টাকা উত্তোলন অভিযোগ সম্পুর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। রহিমা আফছার একাডেমিক ভবন নামে ৮ তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ কাজ (IFT) টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শুরু হয়। প্রতিযোগিতামূলকভাবে গ্যালাক্সি আতাউর রহমান জেভি নামক প্রতিষ্ঠানটি নির্বাচিত হয়। ০২-০২-২০১৮খ্রি: তারিখে মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য মাহবুব উল আলম হানিফ ভিত্তিপ্রস্তর উন্মেচন করেন। অতীতের মত প্রজেক্ট কমিটি করা কোন অপকৌশল এর আশ্রয় নেওয়া হয়নি। রেললাইন সংলগ্ন পুরাতন জরাজিন্ন টিন সেড মার্কেট প্রতিস্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিষয়টি টেন্ডার প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হচ্ছে। এখানে সমস্ত আর্থিক ব্যয় সংক্রান্ত নিয়ম কানুন অনুসরণ করে সততার ও স্বচ্ছতার সাথে কাজ চলছে। কারো পে টাকা আত্মসাৎ করার সুযোগ নাই। কলেজ গভর্নিং বডির সিদ্ধান্ত ছাড়া এফডিআর ভাঙ্গানোর কোন সুযোগ নাই। এফডিআর সমূহ সংরতি আছে। কলেজের নিয়মিত কালেকশন ফান্ড থেকে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ভাতা প্রদান করা হয়। নির্মাণ ফান্ড ও বেতন ফান্ডের অর্থ স্বচ্ছতার সাথে গভর্নিং বডির অনুমোদনক্রমে খরচ করা হয়। দুর্নীতির অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সাময়িক বরখাস্তকৃত উপাধ্য সাবিনা ইয়াছমিন কর্তৃক কথিত অধ্যক্ষ মো: নওয়াব আলী এর লুটপাট সংক্রান্ত অভিযোগ হাস্যকর ও ভিত্তিহীন। প্রকৃত সত্য এই যে, সাবিনা ইয়াছমিন মহামান্য হাইকোর্ট ও মহামান্য সুপ্রীম কোর্ট এর আদেশ গোপন করে জাল অভিজ্ঞতার সনদ দেখিয়ে অত্র কলেজে উপাধক্ষ্য পদে নিয়োগ লাভ করেন। কাম্য যোগ্যতার অভাবে সাবিনা ইয়াছমিনকে গভর্নিং বডির সিদ্ধান্ত মোতাবেক সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তার বিরুদ্ধে দেওয়ানী ও ফৌজদারী ৩টি মামলা বিচারাধীন। তিনি বিচারের সম্মুখীন না হয়ে অফিসে তদবীরের মাধ্যমে কলেজে যোগদানের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। মো: হাফিজুর রহমান হেলাল, মো: আবুল হোসেন গাজী, মোহা: শহীদুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া ইসলামিয়া কলেজ, কুষ্টিয়া এর সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আজগর আলী এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, কলেজ সম্পর্কিত দৈনিক সমকাল পত্রিকায় এ ধরণের কোন বক্তব্য দেন নাই। পরিশেষে আমরা মনে করি যে, স্বার্থান্বেষী কুচক্রী মহল অযাচিতভাবে প্রভাবিত করার চেষ্ট চালাচ্ছে, কোন প্রকার অনুসন্ধান ছাড়াই একতরফাভাবে একটি বৃহৎ পাবলিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তিকর কোন নিউজ বা ভিউজ পরিবশন, জাতীয় গনমাধ্যম কর্মী হিসেবে আপনাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করি। আমাদের এই প্রতিবাদটি আপনাদের পত্রিকায় প্রকাশ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

এক ক্লিকে বিভাগের খবর