মঙ্গলবার, ০৯ মার্চ ২০২১, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন

কুষ্টিয়া পৌর বাজার জামে মসজিদের রাস্তা ভাগাড়ে পরিণত

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ৯২ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ০৯ মার্চ ২০২১, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন

কুষ্টিয়া পৌর জামে মসজিদ, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিশুদ্ধ পানির প্লান্ট ও ওজোপাডিকো এর গ্রাহক সেবা কেন্দ্রসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মাঝখানে ময়লার স্তূপ করে ডাস্টবিন তৈরী করা হয়েছে ! এতে বাজারে আসা মানুষের ওই স্থানে এখন দুর্গন্ধের জন্য নাক এঁটে চলাচল করতে হয় । এ ছাড়াও বিশুদ্ধ পানির প্লান্টের সামনে ময়লার স্তূপ করে রাখায় সেখানে দুর্গন্ধের মাঝেই নিরুপায় হয়ে বিশুদ্ধ খাবার পানি সংগ্রহ করলেও দেখার কেউ নেই।

এদিকে স্কুল, মসজিদ, বিশুদ্ধ পানির প্লান্ট, বিদ্যুৎ অভিযোগ কেন্দ্র ও ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান এর মাঝে কুষ্টিয়া পৌরসভার এমন ডাস্টবিন হোক তা স্থানীয় ও ভুক্তভোগীরা কেউ মেনে নিতে পারছে না।কোন কিছুকেই তোয়াক্কা না করে দীর্ঘদিন ধরে এই জায়গাটা ডাস্টবিন বানিয়ে রেখেছে পৌর কর্তৃপক্ষ।

ডাস্টবিনের পাশের চাউল ব্যবসায়ী আশরাফুল ইসলাম বলেন, সকাল ১০টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত এই খানে পৌর বাজারের মাছ, মাংস ও কাঁচাবাজারের সকল ময়লা এইখানে ফেলা হয়। আর সকাল ৮টাই পৌরসভার ময়লার গাড়ি এসে নিয়ে যায়। দুপুর থেকে প্রচন্ড দুর্গন্ধ বের হতে থাকে। দোকানে বসা যায় না। ক্রেতারা দুর্গন্ধের কারনে আসতে চাই না আবার ক্রেতারাও এসে বেশিক্ষণ দাঁড়াতে পারেন না। পাশেই একটি বিশুদ্ধ পানির প্লান্ট রয়েছে সেখানে পানি আনতে গেলে বমি চলে আসে। দোকানে যতটুক সময় থাকা হয় নাক ধরে বসে থাকা লাগে। ৪/৫ বছর ধরে এই স্থানে ময়লা ফেলা হয়। পাশের রাস্তাটি দিয়ে চলাচল করা যায় না। মাছ-মাংসের বাজারের সব ময়লা এখানে ফেলা হয। যে কারণে আরো বেশি দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়।

পৌর ১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি জাহাঙ্গীর আলম জানান, দুর্গন্ধ ও মুরগির গাড়ির জন্য ছেলে মেয়েরা এখানে স্কুলে ঠিকভাবে আসতে পারে না। অনেকে আসতে গিয়ে বমি করে ফেলে। আমরা এ বিষয়ে পৌরসভার কাছে লিখিত আবেদন দিয়েছি। শুধু বাজারের ময়লায় নয় আশেপাশের পচা দুর্গন্ধযুক্ত যেই আবর্জনা গুলো থাকে সেগুলো এখানে ফেলা হয়। অভিভাবকরাও এই দুর্গন্ধের কারণে স্কুলে আসতে চায়না।

মসজিদের এক মুসল্লীরা জানান, বাড়ি থেকে অজু করে মসজিদে ঢোকার পথেই যে দুর্গন্ধ এবং আবর্জনা পায়ের নিচে পড়ে এজন্য আবার আমাদের ওযু করতে হয়। দুর্গন্ধের কারণে মসজিদেও নামাজ আদায় করতে সমস্যা হয়।

ওজোপাডিকো কুষ্টিয়ার গ্রাহক সেবা কেন্দ্রের নিরাপত্তা প্রহরী জানান, দুর্গন্ধে অফিসে থাকি যায় না। পাশের মসজিদেই নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় নাকে কাপড় চেপে যাওয়া লাগে। আমরা স্যারদের সমস্যার কথা জানিয়েছি কিন্তু কোন সমাধান হয়নি ।

বেশ কিছু পথচারীর সাথে কথা হলে তারা জানান দুর্গন্ধের কারণে এ রাস্তা দিয়ে বাজারে ঢোকাটাই কষ্টকর হয়ে যায়। তারা এই রাস্তার পাশ থেকে ডাস্টবিন সরানোর জোরদাবিও জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

এক ক্লিকে বিভাগের খবর