মঙ্গলবার, ০২ মার্চ ২০২১, ০৩:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে সেতু নির্মানের মেয়াদ শেষ হলেও অনিয়মের দায়ে ৫টি পাইলিংয়ে করার পর কাজ বন্ধ কুষ্টিয়ার উপকারাগার ৪০ বছরেও কয়েদীর মুখ দেখেনি ধর্ষিত কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা, গর্ভপাত, গ্রেপ্তার ১ নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশ শুরু বিএনপির কমিটমেন্ট নিয়ে জনগণ প্রশ্ন তুলছে: ওবায়দুল কাদের রিমান্ডে নিয়ে ছাত্রদল নেতাদের পৈশাচিক নির্যাতন চালানো হচ্ছে : রিজভী রাজশাহীতে দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ, চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা স্থানীয় নির্বাচনেও অনিয়মের মডেল: মাহবুব তালুকদার মাগুরায় অজ্ঞাত ব্যক্তিকে হত্যার পর লাশ পুড়িয়ে দিলো দুর্বৃত্তরা কেন সব সময় পুলিশকে প্রতিপক্ষ বানানো হয়, আইজিপি

উন্নত দেশী জাতের বেগুন চাষ করে স্বাবলম্বী কুমারখালীর রাকিবুল

মাহমুদ শরীফ, কুমারখালী (কুষ্টিয়া) : / ৮৫ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ০২ মার্চ ২০২১, ০৩:৫৮ অপরাহ্ন

কুমারখালী উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামে নবিয়ার রহমান ছেলে মোঃ রাকিবুল ইসলাম সালামত (৪০) বেগুন চাষে স্বাবলম্বী হয়েছেন। তিনি এ বছর উন্নত দেশী জাতের বেগুন চাষ করে সফলতা অর্জন করেছেন। রাকিবুল তার দেড় বিঘা পতিত জমিতে ফাঁপা জাতের বেগুন চাষ করে দারিদ্র্যতা মোচন করেছেন।
বেগুন চাষি রাকিবুল জানান, প্রথমে তিনি এক কৃষকের বেগুন চাষ দেখে নিজেও বাড়ির পাশের পতিত জমিতে বেগুন চাষ করার স্বপ্ন দেখেন। পরে স্থানীয় কৃষি অফিসের পরামর্শ ও পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতা নিয়ে দেড় বিঘা জমিতে প্রায় ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে দেশী উন্নত জাতের (ফাঁপা) বেগুনের চাষ করেন। তার জমিতে বেগুনের ব্যাপক ফলন ফলেছে। বাজারে অন্যদের বেগুনের তুলনায় তার বিষমুক্ত বেগুনের চাহিদাও প্রচুর।
তিনি আরো জানান, এ পর্যন্ত তিনি দুই লাখ টাকার বেগুন বিক্রি করেছেন। সামনে আরো দুই লাখ টাকার বেগুন বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করছেন তিনি। সপ্তাহে তিনি ক্ষেত থেকে তিন বার ৫ থেকে ৬ মণ করে বেগুন সংগ্রহ করে থাকেন। এবার শুরুতে ৮০০ থেকে এক হাজার টাকা মণে পাইকারি বিক্রি করেছেন। পাইকাররা বাড়িতে এসেই বেগুন কিনে নেন। তবে বর্তমানে বেগুনের বাজার কম থাকায় ৪০০ থেকে ৩০০ টাকায় মণ বিক্রি হচ্ছে। তার দেখাদেখি এখন এলাকা অনেক কৃষক বেগুন চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।
স্থানীয় কৃষক রহিম বলেন, রাকিবুল বেগুন চাষে সফলতা পেয়েছেন। আমরা জমিতে ধান চাষ করে বছরে যে টাকা আয় করি তার চেয়ে বেগুন চাষে অধিক লাভ করা সম্ভব। তাই আমরা সামনের বছর থেকে বেগুন চাষের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
এ বিষয়ে কুমারখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দেবাশীষ কুমার দাস বলেন, উপজেলায় এবার বেগুন চাষ হয়েছে হাইব্রীড ৯০ হেক্টর জমিতে, উফশী ৪১ হেক্টর জমিতে, মোট ১৩১ হেক্টর জমিতে বেগুন চাষ করা হয়েছে। বেগুন চাষে চাষিদের সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। রাকিবুল ইসলামের দেখাদেখি এলাকার অনেকেই বেগুন চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। পাশের গ্রাম হাঁদিয়া ও চর আগ্রাকুন্ডা এখন সবজী এলাকা হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে। সকলের কাছে রাকিবুল এখন মডেল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

এক ক্লিকে বিভাগের খবর