রবিবার, ২০ জুন ২০২১, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
সরকার লুটেরা অর্থনীতি চালু করেছে : মির্জা ফখরুল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধে রেখে জাতিকে মেরুদন্ডহীন করা হচ্ছে : ডা. জাফরুল্লাহ ধর্ষণের ভুক্তভোগীকে প্রয়োজনে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে : প্রধান বিচারপতি টিকা নিয়ে তলে তলে ষড়যন্ত্র করছে বিএনপি : তথ্যমন্ত্রী বিশ্বে ভিন্ন ধরনের ‘মহামারি’ আসছে কুষ্টিয়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের ভবন নির্মাণে বৃক্ষ নিধন নামের অক্সিজেনের উপর কুঠারাঘাত ৫৩ দিন পর হাসপাতাল থেকে বাসায় খালেদা জিয়া কুষ্টিয়ায় ৩৫ পিচ টাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে পুলিশ ঈদের পর অনলাইন/স্বশরীরে পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত ইবি’র দৌলতপুরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ঘেঁষে অবৈধভাবে কাটা হচ্ছে বালু

‘আমরা রায়ে সন্তুষ্ট’

অনলাইন ডেস্ক / ১২০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : রবিবার, ২০ জুন ২০২১, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন

আমরা রায়ে সন্তুষ্ট আসামির সর্বোচ্চ সাজা হওয়ায়। বাদী এবং ভিকটিমও সন্তুষ্ট বলে জানিয়েছেন কুর্মিটোলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলায় বাদীপক্ষকে সহায়তকারী আইন ও সালিশ কেন্দ্রের আইনজীবী আব্দুর রশীদ।

আজ বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক বেগম মোসা. কামরুন্নাহার মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ধর্ষণ মামলায় একমাত্র আসামি মজনুর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রায়ে মোবাইল ছিনতাই ও চুরির দায় থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে। এদিকে রায়ে আসামির সর্বোচ্চ সাজা হলেও পুরোপুরি সন্তুষ্ট না ভুক্তভোগী পরিবার। ওই শিক্ষার্থীর বাবা এবং মামলার বাদী বলেন, যখন মামলাটি দায়ের করা হয়, তখন ধর্ষণ মামলায় সর্বোচ্চ সাজা ছিল যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। এখন যেহেতু সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ডের আইন পাস হয়েছে। তাই আসামির মৃত্যুদণ্ড আশা করেছিলাম।

সংশ্লিষ্ট আদালতের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর আফরোজা ফারহানা আহমেদ (অরেঞ্জ) বলেন, আসামির বিরুদ্ধে যে ধারায় চার্জগঠন করা হয়েছিল, সেই ধারায় সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। আদালত তাই দিয়েছেন। আমরা রায়ে সন্তুষ্ট। সরকার থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত মজনুর আইনজীবী রবিউল ইসলাম রবি বলেন, মামলায় চাক্ষুস কোনো সাক্ষী নেই। রাষ্ট্রপক্ষ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি। আসামি ন্যায়বিচার পায়নি। রায়ে আমরা অসন্তুষ্ট। আসামি চাইলে আপিল করা হতে পারে। গত ৫ জানুয়ারি কুর্মিটোলায় ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়। ওই ঘটনায় ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

গত ৮ জানুয়ারি ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন শেওড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে র‌্যাব মজনুকে গ্রেপ্তার করে। ৯ জানুয়ারি আদালত মজনুর সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ১৬ জানুয়ারি মজনু দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। এরপর ১৬ মার্চ মজনুকে একমাত্র আসামি করে ঢাকা সিএমএম আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক আবু সিদ্দিক। ওইদিনই আদালত মামলাটি পরবর্তী বিচারের জন্য নারী ও শিশু দমন ট্রাইব্যুনালে বদলির আদেশ দেন। ১৬ আগস্ট একই আদালত মজনুর বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেন। ২৬ আগস্ট মজনুর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়। ২০১৯ সালের ৫ নভেম্বর মামলাটিতে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। মামলায় ২৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ২০ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। ১২ নভেম্বর আত্মপক্ষ শুনানি এবং রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের তারিখ ধার্য করেন আদালত।

জি/হিমেল


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

এক ক্লিকে বিভাগের খবর