মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ০৯:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
কুমারখালী উপজেলা ও পৌর বিএনপির প্রতীকী অনশন পালন কুষ্টিয়ায় পণ্যে পাটজাতদ্রব্য ব্যবহার না করার অপরাধে জরিমানা কিশোরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ২৫টি পরিবারের ৮৩টি বসতঘর পুড়ে ভস্মীভ’ত কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বিএনপির প্রতিকী অনশন পালিত কুষ্টিয়ায় র‌্যাবের অভিযানে গাঁজাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসার ঘটিয়ে জনগনকে জনসম্পদে পরিনত করতে হবে : ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ, এমপি ফতুল্লায় গার্মেন্টস শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ পুলিশের লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকায় তালিকা হচ্ছে না নিয়ন্ত্রণহীন অপরাধীরা সাংবাদিকদের মধ্যে আর কোনো বিভক্তি থাকবে না : রুহুল আমিন গাজী কুষ্টিয়ায় তিন দিনেও খোঁজ মেলেনি অপহৃত মাদ্রাসা ছাত্রের, ফোনে মুক্তিপণ দাবি

আজ মীর মশাররফ হোসেনের ১৭৩তম জন্মবার্ষিকী

গ্রামের ডাক ডেস্ক / ২৫৮ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ০৯:২৪ অপরাহ্ন

আজ বাংলা সাহিত্যের অমর দিকপাল কালজয়ী উপন্যাস ‘বিষাদ সিন্ধু’র রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেনের ১৭৩ তম জন্মবার্ষিকী । তিনি কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার গৌরী নদীর তীরে লাহিনীপাড়ায়  ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। বাবা সৈয়দ মীর মুয়াজ্জম হোসেন ও মা দৌলতন নেছা। দিবসটি উপলক্ষে মীর মশাররফ হোসেনের সমাধিস্থল রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির নবাবপুর ইউনিয়নের পদমদী গ্রামে আজ উপজেলা প্রশাসন, বাংলা একাডেমি, মীর মশাররফ হোসেন সাহিত্যে পরিষদ, মীর মশাররফ হোসেন কলেজ ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আম্বিয়া সুলতানা জানান, মীর মশাররফ হোসেনের ১৭৩ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার সমাধিস্থলে উপজেলা প্রশাসন ও বাংলা একাডেমির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলা একাডেমির প্রোগ্রাম অফিসার ও মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি কেন্দ্রের দায়িত্বরত কর্মকর্তা মীর ফয়সাল আহমেদ বলেন, মীর মশাররফ হোসেনের ১৭৩ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মীরের সমাধিস্থল স্মৃতি কেন্দ্রে একটি পূর্ণাঙ্গ বই বিক্রয় কেন্দ্রের উদ্বোধন করার কথা ছিল। কিন্তু করোনার কারণে সেটি সম্ভব হচ্ছেনা। এরই মধ্যে বাংলা একাডেমির বেশ কয়েকজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। যার কারণে এ বছর শুধুমাত্র শ্রদ্ধাঞ্জলি ও দোয়া-মাহফিলের মধ্যে দিয়েই সীমিত আকারে তার উদযাপন করা হবে।

মীর মশাররফ হোসেন তার বহুমুখী প্রতিভার মাধ্যমে উপন্যাস, নাটক, প্রহসন, কাব্য ও প্রবন্ধ রচনা করে আধুনিক যুগে মুসলিম রচিত বাংলা সাহিত্যে সমৃদ্ধ ধারার প্রবর্তন করেন। তিনি ছিলেন মুসলিম বাংলা সাহিত্যের অগ্রপথিক। তার পূর্বে কোনো মুসলমান লেখকই এত বিপুলভাবে সাহিত্যেক্ষেত্রে অগ্রসর হননি। তিনি সাহিত্যের সকল শাখায় অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। তিনি মুসলিম জাগরণেরও পথিকৃৎ।

তার লেখা উপন্যাস উদাসী পথিকের মনের কথা (১৮৯০), গাজী মিয়ার বস্তানী,  জমিদার দর্পণ (১৮৭৩), আত্মকাহিনীমূলক রচনাবলী আমার জীবনী বিবি কুলসুম (১৯১০) সহ বিভিন্ন গল্প, উপন্যাস, নাটক, কবিতা, প্রবন্ধ ও ধর্মবিষয়ক ৩৭টি বই বাংলা সাহিত্যের অমর সৃষ্টি। ১৯১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের পদমদী গ্রামে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।  মৃত্যুর পর এখানেই তাকে সমাহিত করা হয়।

জি হিমেল


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

এক ক্লিকে বিভাগের খবর