রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:৪৬ অপরাহ্ন

আজ মীর মশাররফ হোসেনের ১৭৩তম জন্মবার্ষিকী

গ্রামের ডাক ডেস্ক / ১৯৬ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:৪৬ অপরাহ্ন

আজ বাংলা সাহিত্যের অমর দিকপাল কালজয়ী উপন্যাস ‘বিষাদ সিন্ধু’র রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেনের ১৭৩ তম জন্মবার্ষিকী । তিনি কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার গৌরী নদীর তীরে লাহিনীপাড়ায়  ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। বাবা সৈয়দ মীর মুয়াজ্জম হোসেন ও মা দৌলতন নেছা। দিবসটি উপলক্ষে মীর মশাররফ হোসেনের সমাধিস্থল রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির নবাবপুর ইউনিয়নের পদমদী গ্রামে আজ উপজেলা প্রশাসন, বাংলা একাডেমি, মীর মশাররফ হোসেন সাহিত্যে পরিষদ, মীর মশাররফ হোসেন কলেজ ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আম্বিয়া সুলতানা জানান, মীর মশাররফ হোসেনের ১৭৩ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার সমাধিস্থলে উপজেলা প্রশাসন ও বাংলা একাডেমির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলা একাডেমির প্রোগ্রাম অফিসার ও মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি কেন্দ্রের দায়িত্বরত কর্মকর্তা মীর ফয়সাল আহমেদ বলেন, মীর মশাররফ হোসেনের ১৭৩ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মীরের সমাধিস্থল স্মৃতি কেন্দ্রে একটি পূর্ণাঙ্গ বই বিক্রয় কেন্দ্রের উদ্বোধন করার কথা ছিল। কিন্তু করোনার কারণে সেটি সম্ভব হচ্ছেনা। এরই মধ্যে বাংলা একাডেমির বেশ কয়েকজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। যার কারণে এ বছর শুধুমাত্র শ্রদ্ধাঞ্জলি ও দোয়া-মাহফিলের মধ্যে দিয়েই সীমিত আকারে তার উদযাপন করা হবে।

মীর মশাররফ হোসেন তার বহুমুখী প্রতিভার মাধ্যমে উপন্যাস, নাটক, প্রহসন, কাব্য ও প্রবন্ধ রচনা করে আধুনিক যুগে মুসলিম রচিত বাংলা সাহিত্যে সমৃদ্ধ ধারার প্রবর্তন করেন। তিনি ছিলেন মুসলিম বাংলা সাহিত্যের অগ্রপথিক। তার পূর্বে কোনো মুসলমান লেখকই এত বিপুলভাবে সাহিত্যেক্ষেত্রে অগ্রসর হননি। তিনি সাহিত্যের সকল শাখায় অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। তিনি মুসলিম জাগরণেরও পথিকৃৎ।

তার লেখা উপন্যাস উদাসী পথিকের মনের কথা (১৮৯০), গাজী মিয়ার বস্তানী,  জমিদার দর্পণ (১৮৭৩), আত্মকাহিনীমূলক রচনাবলী আমার জীবনী বিবি কুলসুম (১৯১০) সহ বিভিন্ন গল্প, উপন্যাস, নাটক, কবিতা, প্রবন্ধ ও ধর্মবিষয়ক ৩৭টি বই বাংলা সাহিত্যের অমর সৃষ্টি। ১৯১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের পদমদী গ্রামে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।  মৃত্যুর পর এখানেই তাকে সমাহিত করা হয়।

জি হিমেল


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

এক ক্লিকে বিভাগের খবর