মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ০৯:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
কুমারখালী উপজেলা ও পৌর বিএনপির প্রতীকী অনশন পালন কুষ্টিয়ায় পণ্যে পাটজাতদ্রব্য ব্যবহার না করার অপরাধে জরিমানা কিশোরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ২৫টি পরিবারের ৮৩টি বসতঘর পুড়ে ভস্মীভ’ত কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বিএনপির প্রতিকী অনশন পালিত কুষ্টিয়ায় র‌্যাবের অভিযানে গাঁজাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসার ঘটিয়ে জনগনকে জনসম্পদে পরিনত করতে হবে : ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ, এমপি ফতুল্লায় গার্মেন্টস শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ পুলিশের লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকায় তালিকা হচ্ছে না নিয়ন্ত্রণহীন অপরাধীরা সাংবাদিকদের মধ্যে আর কোনো বিভক্তি থাকবে না : রুহুল আমিন গাজী কুষ্টিয়ায় তিন দিনেও খোঁজ মেলেনি অপহৃত মাদ্রাসা ছাত্রের, ফোনে মুক্তিপণ দাবি

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে দেশী মদের দোকানে নিত্যপণ্যের মতো বিক্রি হচ্ছে মদ

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩৭১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ০৯:২৭ অপরাহ্ন

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে দেশী মদের দোকানে নিত্যপণ্যের মতো বিক্রি হচ্ছে মদ। আর ওই মদের দোকানে ক্রেতারা সকাল ১০টা বাজলেই মদ কিনতে লাইন পড়ে যায়। ক্রেতাদের লাইন দেখলে মনে হয় এ যেন সাধারণ কোন পণ্য কেনার দোকান। কোন রকম নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে যে লাইনে দাঁড়াচ্ছে তাকেই চাহিদা মত মদ দেওয়া হচ্ছে।বেশিরভাগ ক্রেতাই নেশাখোর। নেশা করতেই তারা মদ কেনেন। রাত ৮টা পর্যন্ত এমন কারবার চলছে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কাপুড়হাট ঘেঁষা পান বাজারে সরকার অনুমোদিত সুরঞ্জিত কুমার রায়ের কুমারখালী দেশী মদের দোকানে (লাইসেন্স নম্বর-২)। লাইনে দাঁড়িয়ে মদ কেনা দুই জনের সাথে কথা হলে তারা বলেন, প্রতি গ্লাস মদ ৫০ টাকায় বিক্রি হয়। লিটার প্রতি ৪শ’ থেকে ৬শ’ টাকায় বিক্রি করা হয়। কোয়াটার নিলে ছোট আড়াইশ গ্রাম কোমলপানীয়র বোতলে দেয়া হয়। হাফ লিটার বা এক দুই লিটার সবই কোমলপানীয়র বোতলে দেওয়া হয়। তবে তাদের অভিযোগ দেশী মদের ভেতর পানি মিশিয়ে বিক্রি করেন সুরঞ্জিত কুমার রায়।


জানা গেছে, কুষ্টিয়ায় এখন পর্যন্ত কোনো মুসলমানের দেশী মদ খাবার লাইসেন্স নেই। কিন্তু কুমারখালী দেশী মদের দোকানে প্রতিদিন শতাধিক মুসলমান মদ কেনেন। তাদের কোনো লাইসেন্স নেই। কোনরকম বাধা বিঘ্ন ছাড়াই তারা মদ কেনেন এবং তা দিয়ে নেশা করে মাতলামি করেন। প্রতি লাইসেন্স’র অনুকূলে মাসে ৭ লিটার দেশী মদ বরাদ্দ দেয়ার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু সুরঞ্জিত কুমার রায় এর বাইরেও অবৈধ পন্থায় বিপুল পরিমাণ দেশী মদ জোগাড় করেন। লাইসেন্সধারী মানুষের কাছে ছাড়া এই মদ বিক্রি করা নিষেধ থাকলেও কুমারখালী দেশি মদের দোকানে লাইসেন্সধারী ছাড়াই নেশাখোরদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে মদ।

এতে এলাকার কিশোর থেকে শুরু করে শিক্ষার্থী বৃদ্ধসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ মাদকের নেশায় আসক্ত হচ্ছে। মদ্যপান করে এলাকার উঠতি বয়সের তরুণ ও যুবকেরা বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। স্থানীয়দের দাবি, অতি দ্রুত লাইসেন্স’র আড়ালে এই অবৈধ কারবার বন্ধ না করলে দিন দিন মাদকাসক্ত হয়ে পড়বে কুমারখালী এলাকার যুব সমাজ। এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মদের কারবার করে সুরঞ্জিত কুমার রায়ের ভাগ্যের চাকা ঘুরে গেছে এবং কুমারখালী শহরে তার রয়েছে আলিশান বাড়ি ও গাড়ি। এ বিষয়ে গতকাল বেলা ৩টায় সুরঞ্জিত কুমার রায়ের সাথে মোবাইল ফোনে কথা হয়। দেশি মদের দোকান তার কিনা এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন আমি মালিক না। এরপর অনিয়মের বিষয়ে প্রশ্ন করলে শোনার পর তিনি কোনো জবাব না দিয়ে মোবাইলের লাইন কেটে দেন। কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান মোবাইলে বলেন, কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাত মাদকমুক্ত ঘোষণা করেছেন। কুমারখালী দেশী মদের দোকানে যদি নিয়মের বাইরে কিছু হয় তবে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অনিয়ম পাওয়া গেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করে লাইসেন্স বাতিলের কোন প্রক্রিয়া থাকলে তাও করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

এক ক্লিকে বিভাগের খবর