মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ০৯:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
কুমারখালী উপজেলা ও পৌর বিএনপির প্রতীকী অনশন পালন কুষ্টিয়ায় পণ্যে পাটজাতদ্রব্য ব্যবহার না করার অপরাধে জরিমানা কিশোরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ২৫টি পরিবারের ৮৩টি বসতঘর পুড়ে ভস্মীভ’ত কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বিএনপির প্রতিকী অনশন পালিত কুষ্টিয়ায় র‌্যাবের অভিযানে গাঁজাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসার ঘটিয়ে জনগনকে জনসম্পদে পরিনত করতে হবে : ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ, এমপি ফতুল্লায় গার্মেন্টস শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ পুলিশের লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকায় তালিকা হচ্ছে না নিয়ন্ত্রণহীন অপরাধীরা সাংবাদিকদের মধ্যে আর কোনো বিভক্তি থাকবে না : রুহুল আমিন গাজী কুষ্টিয়ায় তিন দিনেও খোঁজ মেলেনি অপহৃত মাদ্রাসা ছাত্রের, ফোনে মুক্তিপণ দাবি

কুষ্টিয়া পৌর গোরস্হানের এই ‘আদেশ’ কার জন্যে

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২৫৬ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ০৯:১৬ অপরাহ্ন

জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত কর্তৃপক্ষ-ক্ষমতাবানদের কে চাঁদা, ঘুষ, বখশিস নামক উপরি দিয়ে বাঁচতে হয় সাধারণ মানুষকে । এটাই বাংলাদেশের নাগরিক দায়। নবজাতকের জন্মের অনন্দে সদর হাসপাতালের স্টাফদের মিষ্টি খাওয়ার পয়সা দিতে স্বতস্ফূর্ততা থাকলেও, সেবা নিয়ে সুস্থ হয়ে ফেরার বদলে লাশ হলো যেই রোগী তার পরিজনের পক্ষে ‘মিষ্টি খাওয়ার’ পয়সা দেওয়াটা কতোটা কষ্টের তা বুঝতে চায় না এই চক্র ! বুঝতে চায় না কুষ্টিয়া পৌর গোরস্তানে কর্তব্যরত দাফন সহযোগী পৌর স্টাফরাও। বিশেষ ব্যতিক্রম ছাড়া টাকা না দিয়ে কোন পৌরবাসীর পক্ষে পরিজনকে কুষ্টিয়া পৌর গোরস্তানে দাফন করা অসম্ভব। অর্থাৎ মারা যাওয়ার পরেও একজন নাগরিককে এই চাঁদা ধাওয়া করছে কবর পর্যন্ত !জানাজা পড়ানো হুজুর থেকে শুরু করে কেউই ভাগ ছাড়ছেন না।পৌরসভা নাকি দুর্মূল্যের বাজারেও বেতন দেয় যৎ সামান্য। তবে কেউ কেউ  মৃতের স্বজনদের ফুট ফরমায়েশ খাটেন।

পৌরসভা স্টাফদের এই নিষ্ঠুর চাঁদাবাজির খবর স্বয়ং কুষ্টিয়া পৌরসভার মেয়রও অবহিত। আর এতে তিনি তার দায় এড়াতে ‘‘দাফন বাবদ পৌসসভা যে কোন অর্থ নেয় না ’’ জানিয়ে সাইনবোর্ড টানিয়ে রেখেছেন গোরস্তানের প্রবেশমুখে! সাইনবোর্ডটি জংধরে পুরাতন হলে নতুন আর একটা সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেয় পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। তারমানে খুব ভালো করে তিনি জানেন, যে তার লোকজন এখানে দাফন নিয়ে এক নিষ্ঠুর চাঁদাবাজী করছে এবং সেটি জানার পরেও তার প্রতিকার না করে‘ পিতা’ হয়ে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দায়িত্ব পালন করছেন !

রশিদবিহীন এইসব টাকা যে পৌরসভায় যায় না তা সকলেই জানেন, কিন্তু কোথায় যায় সেটা কি পৌরসভা কর্তৃপক্ষের অজানা? যারা এইসব করছে তারা তো  পৌরসভারই লোক। দিনের পর দিন ধরে চাঁদাবাজী চলবে এবং একই সাথে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দায় এড়ানোর প্রচেষ্টা চলবে এমন সাইনবোর্ডসর্বস্ব কর্তৃপক্ষ পৌরবাসীর কী কল্যণ করবে! ভুক্তভোগীদের অভিমত, যদি এই চাঁদাবাজী বন্ধ করা না যায় তা হলে টাকার হার নির্দিষ্ট করে রশিদের মাধ্যমে তা আদায় করে পৌরসভার একাউন্টে জমা করা হোক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

এক ক্লিকে বিভাগের খবর