শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ১২:৩৮ অপরাহ্ন

স্বাধীনতার সুরক্ষা এবং মুক্তিযুদ্ধের জন্য বিএনপির মায়াকান্না-কাদের

অনলাইন ডেস্ক / ১০৯ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ১২:৩৮ অপরাহ্ন

বিএনপি মুখে স্বাধীনতার সুরক্ষা ও মুক্তিযুদ্ধের জন্য মায়াকান্না মানায় না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

আজ বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সংসদ ভবন এলাকায় নিজের সরকারি বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। সরকার মুক্তিযুদ্ধের সব অর্জন ধ্বংস করে দিচ্ছে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের প্রসঙ্গে তুলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির কথা শুনে হাসবো না কাদবো ভেবে পাই না। যারা এখনও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী এবং সাম্প্রদায়িক অপশক্তির দোসরদের বিশ্বস্ত আশ্রয়, তাদের মুখে এ কথা মানায় না।

এদেশের স্বাধীনতা যার নেতৃত্বে এসেছে, মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ককে হত্যার সরাসরি বেনিফিশিয়ারি বিএনপি। তারা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির জনক। যাদের হাত দিয়ে সিপাহী-জনতার বিপ্লবের নামে অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়েছিলো, তাদের মুখে মুক্তিযুদ্ধের জন্য মায়া কান্না মানায় না।”

মুক্তিযুদ্ধের মহান অর্জন আর চেতনাকে পদে পদে ভুলুণ্ঠিত করাই বিএনপির ইতিহাস এবং রাজনৈতিক সাধনা মন্তব্য করে তিনি বলেন,সেটি ৭৫-এর ১৫ আগস্ট নির্মম হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে তারা শুরু করে। পাকিস্তানি ভাবধারায় নিজস্ব রাজনৈতিক গঠন করে তারা মাত্র মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ গড়বেন, এ কথা প্রলাপ ছাড়া কিছুই নয়।

গণতন্ত্র নিয়ে বিএনপির উদ্বেগ প্রকাশের বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি কথায় কথায় গণতন্ত্রের কথা বলছে। আমরা জানতে চাই তারা কোন গণতন্ত্রের কথা বলছে। তাদের দেখানো হালুয়া-রুটির গণতন্ত্র! তাদের গণতন্ত্র ছিলো এক টিমটি লবন, এক মুষ্টি গুড় আর আধাসের পানির মিশ্রনের মতো। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গণতন্ত্রের যে অবিরাম যাত্রা তাতে বিরোধীদল হিসেবে কী ভূমিকা তারা রাখছে, তা জনগণ জানতে চায়।

বিএনপির প্রতি প্রশ্ন রেখে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘প্রথম দিন থেকেই অগণতান্ত্রিকভাবে একটি নির্বাচিত সরকার হটানোর ঘোষণা কী বিএনপির গণতন্ত্র? নেতিবাচকতা, মিথ্যাচার আর ষড়যন্ত্র ছাড়া গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সুরক্ষায় আপনারা আর কী করেছেন? দায়িত্বশীল বিরোধীদল হিসেবে গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক পথ রচনায় সরকারকে কী সহযোগীতা দিয়েছেন?

নির্বাচন কমিশনে ওপর সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নির্বাচনকালে কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী  সহযোগিতা করা সরকারের দায়িত্ব।  কমিশন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান আইন সংশোধনের যে উদ্যোগ নিয়েছে, সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের স্বার্থে তা যাচাই-বাছাই করে আমাদের বক্তব্য থাকলে তা আমরা কমিশনকে জানাব। বিএনপির কোনো বক্তব্য থাকলে, কিংবা দ্বিমত থাকলে কমিশনকে জানাতে পারে।

 

জি/হিমেল

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

এক ক্লিকে বিভাগের খবর